আকবর হায়দার কিরণ   

প্রেম কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা মানে না, মানে না কোনো সুনির্দিষ্ট ভাষা। আদিম মানুষের গুহাচিত্র থেকে শুরু করে আধুনিক ডিজিটাল যুগের ক্ষুদ্র বার্তা—সবখানেই প্রেম এক অনিবার্য উপস্থিতি। অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ প্রকাশিত খ‍্যাতিমান কবি ও শিশুসাহিত্যিক হুমায়ূন কবীর ঢালীর সম্পাদিত 'বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা' সংকলনটি সেই শাশ্বত অনুভূতিরই এক বিশাল ক্যানভাস। ৩৭০-এর অধিক পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে সম্পাদক বিশ্বসাহিত্যের ধ্রুপদী প্রেমের পঙ্ক্তিমালাকে এক সুতোয় গেঁথেছেন।  বইটির পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলে এর বিশালত্ব ফুটে ওঠে।

এখানে মোট ৪৫২টি কবিতা স্থান পেয়েছে, যার বিন্যাস অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়:  চিরায়ত বাংলা কবিতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম থেকে শুরু করে জীবনানন্দ দাশ, জসীম উদ্‌দীন, শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদের ধ্রুপদী সৃষ্টিগুলো এখানে পরম যত্নে সংকলিত হয়েছে। বিশেষ করে শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং নির্মলেন্দু গুণের কবিতায় প্রেমের যে বিচিত্র রূপ, তা সংকলনটিকে সমৃদ্ধ করেছে। বিশ্বসাহিত্যের অমর পঙ্ক্তিমালা: শেক্সপিয়র, জন ডান, লর্ড বাইরন, জন কিটস থেকে শুরু করে পাবলো নেরুদা ও মায়া অ্যাঞ্জেলোর বিশ্বজনীন প্রেমের আবেশ তৈরি করা কবিতাগুলো এখানে স্থান পেয়েছে। সমকালীন মেলবন্ধন: বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সময়ের কবিদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের (যেমন: মন্টিনিগ্রো, কলোম্বিয়া, আলবেনিয়া, ফিলিপাইন) কবিদের আধুনিক প্রেমচেতনা এই গ্রন্থে মূর্ত হয়েছে।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞের নেপথ্যে রয়েছেন বরেণ্য শিশুসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও কবি হুমায়ূন কবীর ঢালী। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলা সাহিত্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। শতাধিক গ্রন্থের এই রচয়িতা কেবল বাংলাদেশেই নয়, বরং তাঁর সৃষ্টির অনুবাদ ও আন্তর্জাতিক সংযোগের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যেও পরিচিত নাম। বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ হয়েছে তাঁর একাধিক গ্রন্থ ও গল্প- কবিতা । বাংলাদেশ শিশুসাহিত্যিক ফোরামের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি যেমন নতুন লেখক তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন, তেমনি তাঁর সম্পাদনায় ‘আলোকলতা’ বা ‘প্রকাশনা’র মতো সাহিত্যপত্রগুলো রুচিশীল পাঠকের খোরাক জোগাচ্ছে।

শিশুসাহিত্যের জাদুকর হিসেবে পরিচিতি থাকলেও ইদানীং তিনি কবিতার নিবিড় চর্চায় মগ্ন হয়েছেন। তাঁর এই সংকলনটি কেবল সংগ্রহ নয়, বরং দীর্ঘ চার বছরের এক নিরলস গবেষণার ফসল। ফেসবুক ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিনি যেভাবে বিশ্বব্যাপী কবিদের সাথে সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন, তা বর্তমান সময়ের এক অনন্য উদাহরণ। সম্পাদক তাঁর ভূমিকায় অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানিয়েছেন, কবিতার ‘আবেদন’ বিচারে তিনি কোনো আপস করেননি। প্রতিষ্ঠিত নামের চেয়ে কবিতার অন্তর্নিহিত শক্তিকেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন।

গুলশান কবীরের প্রচ্ছদে এবং অন্বয় প্রকাশের পরিপাটি মুদ্রণে বইটি একটি দীর্ঘকালীন রেফারেন্স গ্রন্থে পরিণত হয়েছে। বিদেশের পরিবেশক হিসেবে নিউইয়র্কের ‘মুক্তধারা’ এবং কলকাতার ‘বইবাংলা’র নাম থাকা নির্দেশ করে যে, এর আবেদন বিশ্বব্যাপী। সংগত কারণেই বলা যায়, 'বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা' সংকলনটি প্রেমের প্রেমের বৈশ্বিক মানচিত্র: হুমায়ূন কবীর ঢালীর সংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’  প্রেম কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা মানে না, মানে না কোনো সুনির্দিষ্ট ভাষা। আদিম মানুষের গুহাচিত্র থেকে শুরু করে আধুনিক ডিজিটাল যুগের ক্ষুদ্র বার্তা—সবখানেই প্রেম এক অনিবার্য উপস্থিতি। অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ প্রকাশিত হুমায়ূন কবীর ঢালীর সম্পাদিত 'বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা' সংকলনটি সেই শাশ্বত অনুভূতিরই এক বিশাল ক্যানভাস। ৩৭০-এর অধিক পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে সম্পাদক বিশ্বসাহিত্যের ধ্রুপদী প্রেমের পঙ্ক্তিমালাকে এক সুতোয় গেঁথেছেন।

 বইটির পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলে এর বিশালত্ব ফুটে ওঠে। এখানে মোট ৪৫২টি কবিতা স্থান পেয়েছে, যার বিন্যাস অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়:  চিরায়ত বাংলা কবিতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম থেকে শুরু করে জীবনানন্দ দাশ, জসীম উদ্‌দীন, শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদের ধ্রুপদী সৃষ্টিগুলো এখানে পরম যত্নে সংকলিত হয়েছে। বিশেষ করে শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং নির্মলেন্দু গুণের কবিতায় প্রেমের যে বিচিত্র রূপ, তা সংকলনটিকে সমৃদ্ধ করেছে।  বিশ্বসাহিত্যের অমর পঙ্ক্তিমালা: শেক্সপিয়র, জন ডান, লর্ড বাইরন, জন কিটস থেকে শুরু করে পাবলো নেরুদা ও মায়া অ্যাঞ্জেলোর বিশ্বজনীন প্রেমের আবেশ তৈরি করা কবিতাগুলো এখানে স্থান পেয়েছে।  সমকালীন মেলবন্ধন: বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সময়ের কবিদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের (যেমন: মন্টিনিগ্রো, কলোম্বিয়া, আলবেনিয়া, ফিলিপাইন) কবিদের আধুনিক প্রেমচেতনা এই গ্রন্থে মূর্ত হয়েছে।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞের নেপথ্যে রয়েছেন বরেণ্য শিশুসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও কবি হুমায়ূন কবীর ঢালী। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলা সাহিত্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। শতাধিক গ্রন্থের এই রচয়িতা কেবল বাংলাদেশেই নয়, বরং তাঁর সৃষ্টির অনুবাদ ও আন্তর্জাতিক সংযোগের মাধ্যমে বিশ্বসাহিত্যেও পরিচিত নাম। বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ হয়েছে তাঁর একাধিক গ্রন্থ ও গল্প- কবিতা । বাংলাদেশ শিশুসাহিত্যিক ফোরামের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি যেমন নতুন লেখক তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন, তেমনি তাঁর সম্পাদনায় ‘আলোকলতা’ বা ‘প্রকাশনা’র মতো সাহিত্যপত্রগুলো রুচিশীল পাঠকের খোরাক জোগাচ্ছে। শিশুসাহিত্যের জাদুকর হিসেবে পরিচিতি থাকলেও ইদানীং তিনি কবিতার নিবিড় চর্চায় মগ্ন হয়েছেন।

তাঁর এই সংকলনটি কেবল সংগ্রহ নয়, বরং দীর্ঘ চার বছরের এক নিরলস গবেষণার ফসল। ফেসবুক ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিনি যেভাবে বিশ্বব্যাপী কবিদের সাথে সেতুবন্ধন তৈরি করেছেন, তা বর্তমান সময়ের এক অনন্য উদাহরণ। সম্পাদক তাঁর ভূমিকায় অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানিয়েছেন, কবিতার ‘আবেদন’ বিচারে তিনি কোনো আপস করেননি। প্রতিষ্ঠিত নামের চেয়ে কবিতার অন্তর্নিহিত শক্তিকেই তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন।

গুলশান কবীরের প্রচ্ছদে এবং অন্বয় প্রকাশের পরিপাটি মুদ্রণে বইটি একটি দীর্ঘকালীন রেফারেন্স গ্রন্থে পরিণত হয়েছে। বিদেশের পরিবেশক হিসেবে নিউইয়র্কের ‘মুক্তধারা’ এবং কলকাতার ‘বইবাংলা’র নাম থাকা নির্দেশ করে যে, এর আবেদন বিশ্বব্যাপী। সংগত কারণেই বলা যায়, 'বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা' সংকলনটি প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য। যারা বিরহ আর মিলনের সন্ধিক্ষণে শব্দকে সঙ্গী করতে চান, তাদের জন্য এই গ্রন্থটি হতে পারে এক পরম উপহার। অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর অন্যতম সেরা প্রাপ্তি হিসেবে এই সংকলনটি দীর্ঘকাল পাঠকহৃদয়ে অক্ষয় হয়ে থাকবে।  বইয়ের নাম: বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা সম্পাদনা: হুমায়ূন কবীর ঢালী প্রকাশক: গুলশান আরা বাবলি, অন্বয় প্রকাশ মূল্য: ৭০০ টাকা ($ ৩৫.০০)