NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

ফাগুনের আগুন নিয়ে হাজির বসন্তের দূত


এম আব্দুর রাজ্জাক প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:২৫ এএম

ফাগুনের আগুন নিয়ে হাজির বসন্তের দূত

এম আব্দুর রাজ্জাক বগুড়া থেকে : ফাগুনের আগুন নিয়ে প্রকৃতিতে হাজির বসন্তের দূত। ঋতুরাজ মানে শুকনো ঝরা পাতার খেলা আর ফোটা ফুলের মেলা। পঞ্জিকার পাতায় এখনো শীতের কয়েকটা দিনে থাকলেও প্রকৃতি গাইছে অন্য সুর। মাঝ মাঘের সকালেই বেজে উঠছে দক্ষিণার সুর। শীতের কানে কানে পৌঁছে দিচ্ছে বাসন্তী প্রকৃতির মন্ত্র। ফুলকি ছড়াতে শুরু করেছে পলাশের আগুন। বসে নেই শিমুলও। রাঙিয়ে তুলেছে শাখা-প্রশাখা।

মাঘ মাস শেষ হতে এখনো বাকি ১২ দিন। উত্তরের বাতাস বিদায় মাগছে। শুরু হয়েছে দখিণার গুঞ্জন। প্রকৃতিতে ফাগুন লেগেছে। গ্রামাঞ্চলে ক্ষণে ক্ষণে ধ্বনিত হচ্ছে কোকিলের কুহুতান। ঘরছাড়া সুরে মাতোয়ারা পাখিরাও। বনে-বাদাড়ে সংগীত-জলসার আয়োজনে ব্যস্ত তারাও।আড়মোড়া ভেঙে নতুন সাজে সেজেছে প্রকৃতি। পাতা ঝরার মর্মর ভেদ করে গাছে গাছে দেখা দিয়েছে সবুজ পাতা, কলি ও নানা রঙের ফুল। বাগানে বাগানে মধুকরদের সম্মিলন। ফুলে ফুলে সজ্জিত প্রকৃতি পাখিদের কিচিরমিচির জানান দিচ্ছে বসন্তের আগমনী বার্তা।

শনিবার  (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নওগাঁ শহরের বিজিবি ক্যাম্প সড়কে গিয়ে দেখা যায়, ছোটযমুনা নদীর বিজিবি সেতুসংলগ্ন রাস্তার ধারের নতুন কুড়ি ও ফুলে রাঙা হয়ে উঠেছে শিমুল গাছটি। রাস্তার ধারে শিমুল গাছে প্রকৃতির আদরমাখা স্পর্শে জেগে উঠেছে। শীতের রুক্ষতা কাটিয়ে প্রকৃতি ফিরে পেতে চলছে ফুল, ফল ও রঙের এক অপরূপ সমারোহ, আগমনী বার্তা ছড়াচ্ছে বসন্তের। শিমুলের হাসিতে বনে লেগেছে লাল রঙের ছোয়া। নানান পাখির মিষ্টি কিচিরমিচির মাতাল করতে আসছে ঋতুরাজ বসন্ত সবুজ-শ্যামল বাংলায়।

শুধু কি ফুল? ফলের গাছগুলোও ফরে উঠেছে মুকুলে। সেই সঙ্গে আম, লিচু ও জাম গাছগুলো হয়ে উঠেছে ফুলেল। সদর উপজেলার জেলা পরিষদ পার্ক, নওগাঁ সরকারি শিশু পরিবার ভবনের সামনে পলাশ গাছগুলো নতুন কুঁড়ি ও ফুলে ভরে উঠেছে। অনাবিল আনন্দ ও নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে পরিণত হয়েছে প্রকৃতি। ইট-কাঠের এই যুগে আগাম বসন্তে প্রকৃতি যেন তার সব সৌন্দর্য উজাড় করে দিয়েছে। নতুন কুঁড়িতে ছেয়ে গেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ফলদ বাগানের বৃক্ষরাজি।

নওগাঁ সরকারি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ড. এনায়েতুস সাকলাইন ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘পলাশ-শিমুলসহ বেশ কিছু ফুল ফাল্গুন-চৈত্র মাসে ফুটে। তবে এমন নয় যে একেবারে ফাল্গুনেই ফুটে। শীতের শেষে আমাদের দেশের আবহাওয়া অনুযায়ী ফুলগুলোর গঠন পরিবেশ চলে আসে। অঞ্চলভেদে ফুল ফোটার সময়ে ভিন্নতা দেখা দেয় কিছু আগে পরে। তবে পলাশ-শিমুল ফুলগুলোর প্রাচুর্য থাকে বসন্তকালে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বৈষিক দূষণ আর জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের ফলে ধীরে ধীরে প্রতিটি ঋতুই হারাচ্ছে তার নিজস্ব বৈচিত্র্য আর সৌন্দর্য। প্রকৃতিকে স্বরূপ ফিরিয়ে দিতে প্রয়োজন পরিবেশ দূষণ রোধ ও ব্যাপকভাবে বৃক্ষ রোপণ করা।’