NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

বনপাড়া ধর্মপল্লীর লুর্দের রাণী মারীয়ার মহাপর্ব ও তীর্থ উদযাপন


এম আব্দুর রাজ্জাক প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:২৫ এএম

বনপাড়া ধর্মপল্লীর লুর্দের রাণী মারীয়ার মহাপর্ব ও তীর্থ উদযাপন

এম আব্দুর রাজ্জাক, (রাজশাহী ধর্ম প্রদেশ)  বগুড়া  থেকে :প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মপল্লী বনপাড়াতে লুর্দের রাণী মারীয়ার মহাপর্ব ও তীর্থ উদযাপন করা হয় ১০ফেব্রুয়ারী। নয়দিনব্যাপী নভেনার মধ্য দিয়ে মা- মারীয়ার বিভিন্ন গুণাবলী নিয়ে ধ্যান প্রার্থনা করা হয়। নভেনার শেষ দিন ৯ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হয় পবিত্র ক্রুশের পথের মধ্য দিয়ে যীশুর সাথে যাত্রা। ক্রুশের পথের পর খ্রিস্টযাগ এবং মা- মারীয়ার মূর্তি নিয়ে রোজারিমালা প্রার্থনা ও আলোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।১০ ফেব্রুয়ারী সকাল থেকেই মুখর হতে থাকে বনপাড়া ধর্মপল্লীর প্রাঙ্গন। সকাল ৯.৩০ মিনিটে পর্বীয় খ্রিষ্টযাগ উৎসর্গ করেন রাজশাহী ধর্মপ্রদেশের ধর্মপাল পরম শ্রদ্ধেয় বিশপ জের্ভাস রোজারিও। সহার্পন করেন বনপাড়া ধর্মপল্লীর পাল- পুরোহিত এবং আরও ৭ জন  যাজক। পর্বীয় খ্রিষ্টযাগে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ২২০০ খ্রিষ্টভক্ত জনগন ৷খ্রিষ্টযাগে বিশপ জের্ভাস রোজারিও তার উপদেশে বলেন  “আমরা প্রতিনিয়ত মা- মারীয়ার আশীর্বাদ - অনুগ্রহ লাভ করি তাই তীর্থে এসে আমরা মা- মারীয়াকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা মা- মারীয়ার কাছে প্রার্থনার মধ্য দিয়ে আশ্চর্য কাজের প্রমান হয়ে উঠতে পারি। মা- মারীয়া আমাদের জীবনে প্রতিনিয়ত ভূমিকা রাখেন, আমাদের আবেদন যীশুর কাছে নিয়ে যান যেমনটি কানানগরে ঘটেছিল ” খ্রিস্টযাগের শেষ  পাল- পুরোহিত বিশপ মহোদয়, ফাদার- সিস্টারসহ সকল খ্রিষ্টভক্তকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশপ মহোদয় ও অন্যান্য ধর্মপল্লী থেকে আগত সকল ফাদারগণ কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরিশেষে আশীর্বাদের বিস্কুট ও মধ্যাহ্ন ভোজের মধ্য দিয়ে পর্বীয় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়