NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

জনগণের আস্থা আমার যাত্রাপথের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি: চীনা প্রেসিডেন্ট


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫২ এএম

জনগণের আস্থা আমার যাত্রাপথের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি: চীনা প্রেসিডেন্ট

 

 

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ১৩ মার্চ বলেছেন, দেশের সংবিধানে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে, তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন। আজ (সোমবার) চীনের চতুর্দশ জাতীয় গণকংগ্রেস (এনপিসি)-র প্রথম অধিবেশনের সমাপন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।

প্রেসিডেন্ট সি বলেন, “জনগণের আস্থা আমার যাত্রাপথের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি ও আমার কাঁধে ভারী দায়িত্ব। চীনের জাতীয় সংবিধানে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট থাকবো। দেশের চাহিদা ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে, ভালো করে নিজের দায়িত্ব পালন করবো এবং অবদান রাখার চেষ্টা করবো, যাতে এনপিসি’র প্রতিনিধিবৃন্দ ও চীনের বিভিন্ন জাতির জনগণের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করা যায়।” 

তিনি বলেন, চীনা জাতি অতীতে অনেক বড় বড় ঘটনার জন্ম দিয়েছে, অনেক অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। আর, প্রতিষ্ঠার পর থেকে সিপিসি, গোটা চীনের বিভিন্ন জাতির মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে ও নেতৃত্ব দিয়ে, চীনা জনগণকে নিজেদের ভাগ্যের মালিকে পরিণত করেছে। এখন চীনা জাতি সার্বিকভাবে স্বচ্ছল হবার পথে। 

সি চিন পিং আরও বলেন, চীনা জাতি বর্তমানে মহান পুনরুত্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। নতুন যাত্রায় বর্তমান প্রজন্মের উচিত যথাযথ দায়িত্ব পালন করা এবং শক্তিশালী ও আধুনিক দেশ গড়ার কাজে প্রয়োজনীয় অবদান রাখা।

সি চিন পিং বলেন, শক্তিশালী দেশ গড়া ও জাতীয় পুনরুজ্জীবনের নতুন যাত্রায় চীন উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে সমন্বয় করবে, “এক দেশ, দুই ব্যবস্থা” অনুশীলনের মাধ্যমে দেশের একীকরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে, এবং মানবজাতির অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, চীন অর্থনৈতিক শক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শক্তি, ও সার্বিকভাবে রাষ্ট্রীয় শক্তি বাড়াতে সচেষ্ট থাকবে এবং আধুনিকায়নের মাধ্যমে জনগণের জন্য আরও বেশি কল্যাণ বয়ে আনবে।

তিনি বলেন, সরকার সার্বিকভাবে দেশের প্রতিরক্ষা খাত ও সশস্ত্রবাহিনীর আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, ও উন্নয়নের স্বার্থ রক্ষার মহাপ্রাচীর হিসেবে গণমুক্তি ফৌজকে গড়ে তুলবে। 

সি চিন পিং আরও বলেন, নিরাপত্তা উন্নয়নের ভিত্তি, স্থিতিশীলতা সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত। চীন সামগ্রিক জাতীয় নিরাপত্তার ধারণা বাস্তবায়ন করবে, জাতীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা সুসম্পন্ন করবে, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষার সক্ষমতা বাড়াবে, সামাজিক শাসনব্যবস্থা উন্নত করবে, এবং নতুন নিরাপত্তা-বিন্যাসের মাধ্যমে নতুন উন্নয়ন-বিন্যাস নিশ্চিত করবে।
তিনি বলেন, চীনকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি)-কে আরও শক্তিশালী হতে হবে; সর্বদা সর্বাত্মক ও কঠোরভাবে সিপিসি-কে পরিচালনা করতে হবে; এবং অবিচলভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে যেতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, সিপিসি-কে সবসময় বড় দলের বিশেষ সমস্যা সমাধানের প্রশ্নে শান্ত ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকতে হবে; বিপ্লবের সাহস রাখতে হবে; এবং সবসময় দলীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। আর এসবের লক্ষ্য হবে, একটি শক্তিশালী দেশ ও জাতীয় পুনরুজ্জীবনের জন্য একটি শক্তিশালী নিশ্চয়তা প্রদান করা।
সূত্র: সুবর্ণা, ওয়াং হাইমান, প্রেমা, তুহিনা, ছাই ইউয়ে, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।