NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীনা ঐতিহ্য বসন্তকালের দিনগুলোকে নান্দনিক করছে


রুবি,বেইজিং: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:১১ এএম

চীনা ঐতিহ্য বসন্তকালের দিনগুলোকে নান্দনিক করছে

বসন্তকালীন বায়ু বসন্তকালের দিনগুলোকে উষ্ণ করেছে এবং তাতে বসন্তের অর্থনীতিও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, বিভিন্ন স্থানে ওয়াল্কিং স্ট্রিট ও বাণিজ্যিক স্থানে অতিথির সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নিখিল চীনে খুচরা বিক্রির সূচক অব্যাহতভাবে বেড়েছে। অফলাইন ভোগের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বসন্তকালে ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক অঞ্চলে নতুন প্রাণশক্তি কীভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। 

বসন্তকালকে শপিং মলে স্থানান্তর করেছে চীনের ছোং ছিং মহানগর। নগরটির এক শপিং মলে নির্মিত হয়েছে একটি উদ্ভিদ উদ্যান। সপ্তম তলার ৪২ মিটার উদ্ভিদ দৃশ্য গ্রাহকদের সুন্দর শপিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রদান করে, যা অনেক ভোক্তাদের আকর্ষণ করে। 
পর্যটক লি ইয়ান সুও বলেন, আমরা কুই চৌ প্রদেশের কুই ইয়াং থেকে এসেছি। ইন্টারনেটে এ শপিং মলের পরিচয় দেখেছি। প্রকৃতি ও আধুনিকতার সংমিশ্রণ হয় এখানে। আমার ভালো লেগেছে।

সারা চীনের বিভিন্ন স্থানে বসন্তকালকে কেন্দ্র করে নানা বাজার আয়োজিত হয়েছে। গত কয়েক দিনে চিয়াং সু প্রদেশের নান চিং শহরের চিয়াং পেই নতুন বাণিজ্যিক অঞ্চলের প্রবেশদ্বারে দুটি ছোট পশুর সাহায্যে অতিথিদের স্বাগত জানানো হয়। এ ছোট বাজারে ঘুড়ি আঁকা, শপিং করা, নতুন খাবার টেস্ট করাসহ নানা আনন্দ করা যায়। প্রাপ্তবয়স্ক বা শিশুরা এখানে নিজের পছন্দ অনুযায়ী আনন্দ করতে পারে। এ ছোট বাজারের কারণে অনেক অতিথি এ বাণিজ্যিক অঞ্চলে বেড়াতে আসেন।

বিভিন্ন ব্যস্ত ব্যবসায়িক অঞ্চলে রেস্তোরাঁগুলো খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে খাওয়ার আসন খালি থাকে না। শাংহাইয়ের পুরানো রেস্তোরা ব্র্যান্ড ইয়ু ইয়ান’র বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ চলতি বছর দৈনিক বিক্রির সর্বোচ্চ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
স্বাদ ও পরিবেশ উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমানে পুরোনো রেস্তোরাঁ বর্তমান ভোগের অভ্যাস ও বিক্রির পদ্ধতি অনুযায়ী বিন্যাস করেছে। যেমন ৮০ ও ৯০-এর দশকে জন্মানো মানুষের ছোট পরিবারের নতুন চাহিদা মেটাতে অনেক রেস্তোরাঁ বেশ কয়েকটি বিখ্যাত ডিশের পরিমাণ সুবিন্যস্ত করেছে। ‘মিনি ডাক’সহ বেশ কিছু নতুন ডিশ উদ্ভাবন করা হয়েছে রেস্তোরাঁগুলোতে।

পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, চীনে ৬০ শতাংশ ভোগ হয়ে থাকে রাতে। তাই বিভিন্ন স্থান তাদের রাতের ভোগ বেগবান করতে নতুন চমক সৃষ্টি করেছে। চীনের শান সি প্রদেশের থাই ইউয়ান শহরে যখন রাতের পর্দা নসমে, তখন নানা সড়ক মোড়ে হৈ চৈ শুরু হয়। 

ভোক্তাদের আরও ভালো অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য কর্তৃপক্ষ দোকানের সুশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা সুবিন্যাস করেছে। সুন্দর আকৃতির গাড়ি দোকান এবং লাইট শোর সংমিশ্রণে অনেক ভোক্তাদের আকর্ষণ করছে।এপ্রিল মাসে বসন্তকালের ঘুরে বেড়ানোকে না বলতে নেই। বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে নতুন প্রকল্প ও পণ্য উন্নয়নের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক পর্যটন এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। 

বেইজিংয়ে ১০টি বসন্তের ফুল উপভোগ লাইন, ১০৬টি ওয়াকিং লাইন এবং ৩০০টি সেলেব্রিটি গন্তব্যস্থল প্রকাশ করেছে। সান লি হ্য সংস্কৃতি প্রদর্শনী অঞ্চল ‘নগরের কেন্দ্রে চিয়াং নান ওয়াটার টাউন’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। গত কয়েকদিন ধরে এখানে পর্যটকদের ভিড় দেখা দিয়েছে। পরিবেশন, বই পড়া, বিশেষ খাবার খাওয়াসহ নানা আনন্দ করতে পারছেন পর্যটকরা। 

চীনের হু বেই প্রদেশের সিয়াও কান শহরে আরভি চালিয়ে ক্যাম্পিং করা অনেক জনপ্রিয় হয়েছে। সিয়াও কান শহরের শুয়াং ফেং শান রিসোর্টে প্রতি সপ্তাহান্তে শতাধিক আরভি ও কাঠের বাড়ী প্রিঅর্ডার শেষ হয়। দিনের বেলায় অনেকে বাইরে গিয়ে বাচ্চাদের সঙ্গে চা তুলেন এবং মাঠে খেলেন। যখন রাতের পর্দা নেমে আসে, তখন বিশাল আকাশের নিচে রোম্যান্টিক চলচ্চিত্র উপভোগের পাশাপাশি ক্যাম্প ফায়ারের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন। অনেক আনন্দের! তাই না?
সূত্র :ওয়াং তান হোং রুবি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ(সিএমজি)।