NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

একটি নতুন সভ্যতা, একটি ‘তিন শূন্য’র পৃথিবী সৃষ্টি করতে প্রফেসর ইউনূসের আহ্বান


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:৩৫ এএম

একটি নতুন সভ্যতা, একটি ‘তিন শূন্য’র পৃথিবী সৃষ্টি করতে প্রফেসর ইউনূসের আহ্বান

 “জার্মান পোস্ট কোড লটারী চ্যারিটি উৎসব ২০২৩”-এ নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে প্রখ্যাত অভিনেতা জর্জ ক্লুনি, উদ্বাস্তু অলিম্পিক সাঁতারু এবং ইউএনএইচসিআর রাষ্ট্রদূত ইউসরা মার্ডিনি এবং জার্মান পোস্টকোড লটারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।  “জার্মান পোস্ট কোড লটারী চ্যারিটি উৎসব ২০২৩”-এ ভাষণ দিলেন নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার জার্মানীর ডুসেলডর্ফে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দেন প্রফেসর ইউনূস। ইউনূস সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে।    জার্মান পোস্ট কোড লটারী ইউরোপীয় পাঁচটি দেশের পোস্ট কোড লটারীগুলির অন্যতম। এই দেশগুলির ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ পোস্টকোডের ভিত্তিতে এই লটারীতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। পোস্ট কোড লটারী থেকে যে আয় হয়ে থাকে তার ৩৩ থেকে ৪০ শতাংশ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পরিচালিত চ্যারিটিগুলিতে দান করা হয়।ডাচ পোস্ট কোড লটারি (DPCL) এবং জার্মান পোস্ট কোড লটারি (GPCL) অনেক বছর ধরে YY ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রফেসর ইউনূসের বিশ্বব্যাপী সামাজিক ব্যবসা আন্দোলনকে সমর্থন করে আসছে।   তাঁর ভাষণে প্রফেসর ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ, সামাজিক ব্যবসা ও সার্বজনীন ব্যবসা উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেন এবং শূন্য বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, শূন্য সম্পদ কেন্দ্রীকরণ ও শূন্য বেকারত্ব-ভিত্তিক ‘তিন শূন্য’র একটি নতুন সভ্যতা সৃষ্টি করার জন্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রতি আহ্বান জানান।   তিনি অর্থনৈতিক কাঠামোর পুননির্মাণসহ বিভিন্ন নীতি ও প্রতিষ্ঠানসমূহের উপযুক্ত সংস্কারের উপর বিশেষভাবে জোর দেন যেগুলি পৃথিবীর বড় বড় সমস্যাগুলির জন্য মূলত দায়ী। তিনি একটি নতুন সভ্যতা নির্মাণে সামাজিক ব্যবসা, সার্বজনীন ব্যবসা উদ্যোগ এবং তরুণ সমাজের ভূমিকার উপর বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপ করেন।  প্রফেসর ইউনূসের ভাষণের পর বিশ্বখ্যাত অভিনেতা ও সমাজকর্মী জর্জ ক্লুনি তাঁর কাজ ও অভিজ্ঞতার কাহিনী বর্ণনা করেন। উল্লেখ্য যে, জর্জ ক্লুনিও পোস্ট কোড লটারীর আন্তর্জাতিক দূত হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর বক্তব্যে ক্লুনি দক্ষিণ সুদান, ডারফুর ও অন্যান্য যুদ্ধ-বিদ্ধস্ত এলাকাগুলির পুনর্গঠন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রফেসর ইউনূস প্রবর্তিত ক্ষুদ্রঋণ মডেল কীভাবে একটি কার্যকর পদ্ধতি হিসেবে কাজ করছে তা উল্লেখ করেন। তিনি ক্ষুদ্রঋণকে একটি “অসাধারণরকম সফল” পদ্ধতি বলে এর প্রশংসা করেন এবং এই অসামান্য আইডিয়াটি উদ্ভাবনের জন্য প্রফেসর ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান।