NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

দক্ষিণ-চীন সাগরের বার্ষিক আলোচনার উদ্বোধনীতে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী


মশিউর আনন্দ প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

দক্ষিণ-চীন সাগরের বার্ষিক আলোচনার উদ্বোধনীতে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

 

নিউইয়র্ক বাংলা ডেস্ক:

চীনের রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ২৫ জুলাই ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে দক্ষিণ-চীন সাগরের পক্ষগুলোর আচরণ সম্পর্কিত ঘোষণা স্বাক্ষরের ২০ বছর বার্ষিকীর আলোচনাসভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন। ভাষণে ওয়াং ই বলেন, দক্ষিণ-চীন সাগরের পক্ষগুলোর আচরণ সম্পর্কিত ঘোষণা চীন ও আসিয়ান দেশসমূহের এ বিষয়ে স্বাক্ষরিত প্রথম রাজনৈতিক দলিল। তাতে দক্ষিণ-চীন সাগরের বিভিন্ন পক্ষের মূলনীতি ও বিধি নির্ধারিত হয়েছে। ঘোষণার সফল স্বাক্ষর ও বাস্তবায়নে দেখা গেছে যে, প্রথমত, দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত।

 

দ্বিতীয়ত, এই অঞ্চলের দেশসমূহ দক্ষিণ-চীন সাগর বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের মালিক। তৃতীয়ত, পূর্ব এশিয়ার দেশেগুলোর মধ্যে একটি  মতৈক্যে পৌঁছানো ও তাদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ। ওয়াং ই আরও বলেন, ‘নতুন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে আমাদের উচিৎ শুরুর কথা ভুলে না গিয়ে দক্ষিণ চীন সাগরকে শান্তিপূর্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহযোগিতামূলক সাগরে পরিণত করা। তাই সবার উচিত  শান্তির ডেডলাইন রক্ষা করা, সংলাপ ও বৈঠক বেগবান করার পাশাপাশি সামুদ্রিক সহযোগিতা গভীরতর করা এবং দক্ষিণ চীন সাগরের বিভিন্ন পক্ষের আচরণের নিয়মকানুন-সংক্রান্ত সংলাপ অব্যাহতভাবে বেগবান করা’। 

 

চীন অব্যাহতভাবে আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে সমুদ্রের শান্তিরক্ষী, সমুদ্রে শৃঙ্খলার নির্মাণকারী, সমুদ্রের সহযোগিতা বেগবানকারী এবং সমুদ্রের উন্নয়নে ভূমিকা পালন করবে।