NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

দক্ষিণ-চীন সাগরের বার্ষিক আলোচনার উদ্বোধনীতে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী


মশিউর আনন্দ প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০৩:১৫ এএম

দক্ষিণ-চীন সাগরের বার্ষিক আলোচনার উদ্বোধনীতে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

 

নিউইয়র্ক বাংলা ডেস্ক:

চীনের রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ২৫ জুলাই ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে দক্ষিণ-চীন সাগরের পক্ষগুলোর আচরণ সম্পর্কিত ঘোষণা স্বাক্ষরের ২০ বছর বার্ষিকীর আলোচনাসভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছেন। ভাষণে ওয়াং ই বলেন, দক্ষিণ-চীন সাগরের পক্ষগুলোর আচরণ সম্পর্কিত ঘোষণা চীন ও আসিয়ান দেশসমূহের এ বিষয়ে স্বাক্ষরিত প্রথম রাজনৈতিক দলিল। তাতে দক্ষিণ-চীন সাগরের বিভিন্ন পক্ষের মূলনীতি ও বিধি নির্ধারিত হয়েছে। ঘোষণার সফল স্বাক্ষর ও বাস্তবায়নে দেখা গেছে যে, প্রথমত, দক্ষিণ চীন সাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা আঞ্চলিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত।

 

দ্বিতীয়ত, এই অঞ্চলের দেশসমূহ দক্ষিণ-চীন সাগর বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের মালিক। তৃতীয়ত, পূর্ব এশিয়ার দেশেগুলোর মধ্যে একটি  মতৈক্যে পৌঁছানো ও তাদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ। ওয়াং ই আরও বলেন, ‘নতুন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে আমাদের উচিৎ শুরুর কথা ভুলে না গিয়ে দক্ষিণ চীন সাগরকে শান্তিপূর্ণ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহযোগিতামূলক সাগরে পরিণত করা। তাই সবার উচিত  শান্তির ডেডলাইন রক্ষা করা, সংলাপ ও বৈঠক বেগবান করার পাশাপাশি সামুদ্রিক সহযোগিতা গভীরতর করা এবং দক্ষিণ চীন সাগরের বিভিন্ন পক্ষের আচরণের নিয়মকানুন-সংক্রান্ত সংলাপ অব্যাহতভাবে বেগবান করা’। 

 

চীন অব্যাহতভাবে আসিয়ান দেশগুলোর সঙ্গে সমুদ্রের শান্তিরক্ষী, সমুদ্রে শৃঙ্খলার নির্মাণকারী, সমুদ্রের সহযোগিতা বেগবানকারী এবং সমুদ্রের উন্নয়নে ভূমিকা পালন করবে।