NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না: সি চিন পিংকে বাবা সি চং স্যুন


ছাই উইয়ে মুক্তা,বেইজিং: প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম

আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না: সি চিন পিংকে বাবা সি চং স্যুন

 


সি চং স্যুন একবার তার ছেলে সি চিন পিং-কে বলেছিলেন: ‘তুমি যত বড় কর্মকর্তাই হও না কেন, আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না; সত্যিকার অর্থেই জনগণের কথা ভাববে, গণমানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করবে এবং তাদের জন্য সহজলভ্য হবে।’

১৯৪৫ সালের অক্টোবরে মাও সেতুং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কমরেডদের সাথে সি চং স্যুনকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, উত্তর-পশ্চিম ব্যুরোর সম্পাদক হিসেবে এই তরুণ কমরেডকে দায়িত্ব দিতে হবে। তাঁর নাম সি চং স্যুন। তিনি জনগণের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসা একজন জননেতা।

জাতীয় বিপদের সময়ে জন্মগ্রহণকারী এই সর্বহারা বিপ্লবী সি চং স্যুন কৃষকদের মধ্যে বেড়ে উঠেছেন। জনগণ, বিশেষ করে কৃষকদের প্রতি তাঁর গভীর মমত্ববোধ ছিল। তিনি সবসময় বলতেন, আমি একজন কৃষকের ছেলে। 

সি চং স্যুন সুইত্য-র স্থানীয় সিপিসি কমিটির সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার সাথে সাথে ৫ লাখ ২০ হাজার বাসিন্দার সেবায় আত্মনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি সকল স্তরের ক্যাডারদের গ্রামে গিয়ে জনসাধারণের জন্য কাজ করতে ও তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে আহ্বান জানান।  

সি চিন পিং বলেন, বাবার আচরণ সম্পর্ককে জানতে হবে, বাবার কাজ দেখে শিখতে হবে, সন্তানসুলভ দৃষ্টিকোণ থেকে বাবাকে অনুসরণ করতে হবে, মিতব্যয়ী জীবন কাটানোর দিক্ষা বাবার কাছ থেকে নিতে হবে। 

সি চিন পিং মনে করেন, একজন ব্যক্তি জনগণের সেবা করার মাধ্যমে পিতামাতার প্রতি সবচেয়ে বড় সুবিচার করতে পারে। এই শিক্ষা তিনি পেয়েছেন তাঁর বাবার কাছ থেকে। 
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।