NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

ছেংতু ফিসুর স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতার গল্প


ছাই উইয়ে মুক্তা,বেইজিং: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০০ এএম

ছেংতু ফিসুর স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতার গল্প

 

৩১তম বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয় গেমস (ফিসু) ২৮ জুলাই থেকে ৮ অগাষ্ট পর্যন্ত চীনের ছেংতু শহরে আয়োজন করা হচ্ছে। ছেংতু’র ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০হাজার শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এতে অংশ নিচ্ছেন।


এবারের ফিসুতে অংশগ্রহণকারী ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড় ফার্নান্দা (Fernanda ) ৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইল রিলেতে ব্রোঞ্জ পদক জয় করেন। এবারের ফিসুর স্বেচ্ছাসেবক সম্পর্কে তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবকরা সত্যিই আমাদের স্বাগত জানান। আমরা তাদের আবেগ অনুভব করি। তাঁরা আমার মাতৃভাষা- পর্তুগিজ ভাষায় আমাদেরকে হ্যালো বলতে পারেন। আমাদের যা প্রয়োজন, তাঁরা আমাদের সাহায্য করেন। আমরা তাঁদেরকে বেশ পছন্দ করি।

স্বেচ্ছাসেবক ইয়াং ইউন জিং হলেন, তুর্কমেনিস্তানের প্রতিনিধিদলের সংযুক্ত। তিনি প্রধানত সেদেশের প্রতিনিধি দলের প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি প্রতিনিধিদলকে বিভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। এ সম্পর্কে ইয়াং ইউন জিং বলেন, একজন সহকারী ব্যক্তি হিসাবে আমাদেরকে সংশ্লিষ্ট অনুবাদ বা যোগাযোগ ও বিনিময় প্রদান করতে হবে। তুর্কমেনিস্তান প্রতিনিধিরা ইংরেজি ভালভাবে বলতে পারেন না। আমার মাতৃভাষাও ইংরেজি না। সেজন্য আমরা কিছু সহজ ও সঠিক শব্দ দিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি।

জুডো হল মানবসম্পদ ও স্বেচ্ছাসেবক ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থাপক ছাও ইয়াং বলেন, ভাষা বাঁধার কারণে স্বেচ্ছাসেবক যারা ইউনিফর্ম বিষয়ের কাজ পরিচালনা করেন, তাঁরা অনুবাদ করার সফ্টওয়্যার ও সরাসরি যোগাযোগের সাহায্যে পেরুর ক্রীড়াবিদদের সহায়তা দেন। দর্শকদের ফুটানো পানি আনতে দেওয়া হয় না। স্বেচ্ছাসেবকরা তাদের শিফটের বিরতিতে বাচ্চা নিয়ে আসা অভিভাবক ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য জল গরম করে দেন।

ছাও ইয়াং আরো বলেন, চীনের ম্যাকাও প্রতিনিধি দলসহ বিভিন্ন দল তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি লিখেছেন।
এবারের ফিসুর স্বেচ্ছাসেবক কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মূল্যবান অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন।

ডাইভিং হলে স্বেচ্ছাসেবক সহকারী চু ইউ মিং বলেন, তাঁর কাজ হল স্বেচ্ছাসেবকদেরকে সেবা দেওয়া। প্রতিদিন দশ ঘন্টারও বেশি সময় কাজ করেন তিনি। তবে তিনি প্রতিযোগিতা স্থলে যেতে পারেন না। কিন্তু তিনি বলেন, আমি সাধারণত কিছু প্রচারমূলক কাজে অংশগ্রহণ করি এবং আমি অনুভব করি যে, আমার লেখার ক্ষমতা এখন অনেক উন্নত হয়েছে। যখন আমরা সাধারণত স্টেডিয়ামে টহল দেই, তখন আমি শিক্ষককে প্রচার ও সম্প্রচার গ্রুপে অনুসরণ করি। আমি অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। 

সামাজিক পর্যায়ে ফিসু’র স্বেচ্ছাসেবা একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। যেমন, জিয়ানইয়াং প্রতিযোগিতা এলাকায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও পাঁচ থেকে ছয় শতাধিক নগর স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগে নিয়োজিত চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ইয়ুথ লিগ কমিটির ডেপুটি সেক্রেটারি হুয়াং মাও লিন বলেন, আগে স্থানীয় বাসিন্দারা বেশি জানতেন না, তারা মনে করত, আমাদের স্বেচ্ছাসেবার পরিমাণ কম। তবে, এবারের গেমসের মাধ্যমে, অনেক নাগরিক তাদের বাড়ির দরজায়, আবাসিক এলাকায়, রাস্তায় ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে সর্বত্র স্বেচ্ছাসেবকদের দেখতে পাচ্ছেন। আমি মনে করি, এটি স্বেচ্ছাসেবক পরিষেবার উত্থান ও অগ্রণী ভূমিকা পালনে সহয়াক।
সূত্র: ছাই ইউয়ে মুক্তা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।