NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

চীনা উৎপাদিত শিল্প সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করা হয়েছে


ছাই উইয়ে মুক্তা,বেইজিং প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ১২:৩২ পিএম

চীনা উৎপাদিত শিল্প সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করা হয়েছে

 

 




বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা হলো বহুপক্ষবাদের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ ও বৈশ্বিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। সংস্থাটিতে যোগদানের পর মাত্র ২০ বছরে, চীন বিশ্বের শীর্ষ পণ্যবাণিজ্যের দেশ এবং ১৪০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদারে পরিণত হয়েছে। চীন বিশ্বের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। 

২০০১ সালের আগে চীনা বাজার তেমন উল্লেখযোগ্য ছিল না। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় যোগদানের পর বিভিন্ন বিদেশী কোম্পানি চীনে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ শুরু করে। বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চীনের বিধিনিষেধ অনেক কমানো হয়েছে। সেজন্য অনেক বিদেশী কোম্পানি তাদের সদর দফতর ও গবেষণাকেন্দ্র চীনে স্থানান্তর করে। বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রবণতাও অব্যাহত আছে।

বিগত ২২ বছর ধরে চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যোগদানের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে আসছে। চীনের বৈদেশিক উন্মুক্তকরণ আরও বেড়েছে। সামগ্রিক শুল্ক স্তর সংস্থাটিতে যোগদানের আগের ১৫.৩ থেকে ৭.৫ শতাংশে কমেছে। এটি আগের প্রতিশ্রুতির ১০ শতাংশের চেয়ে অনেক কম এবং অন্যান্য প্রধান নতুন অর্থনৈতিক সত্তার চেয়ে কম। 

গত সেপ্টেম্বরে আয়োজিত চীনের আন্তর্জঅতিক পরিষেবা মেলায় অংশগ্রহণকারী পোলিশ পেটেন্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেন, “আমরা মেলায় সহযোগিতাচুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এটা সেরা খবর যা আমি শেয়ার করতে চাই। চুক্তি আমাদের মধ্যে জ্ঞানের দেওয়া-নেওয়া জোরদার করে এবং দু’দেশের জন্য বাজারের ব্যবস্থাপনার সহায়তা করে। সেজন্য আমার মনে হয়, মেলাটি একটি খুবই ভালো সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।” 

২০০১ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যোগদানের পর থেকে চীনের পরিষেবা বাজার অব্যাহতভাবে উন্মুক্ত হচ্ছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক নোজি ওকোঞ্জো-আইওয়েলা বলেন,  “বিশ্বের পরিষেবা বাণিজ্যে চীনের অংশ ২.৪ থেকে বেড়ে ৬.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। চীন হলো বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ পরিষেবা রপ্তানিকারক ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিষেবা আমদানিকারক দেশ। চীন বিশ্বের পরিষেবা সরবরাহকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।” 

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যোগদানের পর চীন অব্যাহতভাবে বাজারের পরিবেশ উন্নত করে আসছে। চীনা বাজার আরও আকর্ষণীয় হয়েছে ও হচ্ছে। বর্তমানে চীনের সাধারণ উৎপাদিত শিল্প সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত হয়েছে। অবাধ বাণিজ্যিক পরীক্ষামূলক অঞ্চলে নেগেটিভ লিস্ট উৎপাদিত শিল্প সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়া হয়েছে।  

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় যোগদানের পর চীনের নিজস্ব উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে এবং বিশ্বের অর্থনীতি বৃদ্ধিও ত্বরান্বিত হয়েছে। ২২ বছরে চীনের পণ্যবাণিজ্যের পরিমাণ ১১ গুণ বেড়েছে। চীনের সাথে সংস্থাটির সম্পর্কে ঐতিহাসিক পরিবর্তন এসেছে। চীন আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিয়মের প্যাসিভ প্রাপক থেকে সক্রিয় গ্রহণকারীতে পরিণত হয়েছে। 

চলতি বছর বিশ্বের অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের গতি দুর্বল। তবে, চীনের অর্থনীতি অব্যাহতভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মহাব্যবস্থাপক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বলেন, যদিও বর্তমানে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সমাজে চ্যালেঞ্জ অনেক, তবুও চীনা অর্থনীতির পুনরুদ্ধার বিশ্বের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলেছে। তিনি বলেন, “চীনের অর্থনীতির পুনরুদ্ধার মানে ২০২৩ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের অবদান তিন ভাগের এক ভাগ বা এমনকি আরও বেশি হবে। আমাদের বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, চীনের জিডিপিতে প্রতি এক শতাংশ বৃদ্ধি এশীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ০.৩ শতাংশ বাড়িয়ে দেবে।”  
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।