NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

অ্যান্টার্কটিকায় চীনের পঞ্চম গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৫ এএম

অ্যান্টার্কটিকায় চীনের পঞ্চম গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

 

 



পঞ্চম গবেষণা স্টেশন নির্মাণে ৪০তম অ্যান্টার্কটিক বৈজ্ঞানিক অভিযান শুরু করেছেন চীনের একদল বিজ্ঞানী। বুধবার সকালে এ মিশনে যাত্রা শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। 

এবারের গবেষণায় বিজ্ঞানীদের সুয়েলং ও সুয়েলং ২ বা স্নো ড্রাগন ও স্নো ড্রাগন ২ শাংহাই থেকে এবং  পণ্যবাহী জাহাজ থিয়ান হুই পূর্ব চীনের চিয়াংসু প্রদেশের চাংচিয়াকং থেকে রওনা হয়।   

৪৬০ জনের এবারের গবেষণা দলটি অ্যান্টার্কটিক বাস্তুসংস্থানের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, সেইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনে অ্যান্টার্কটিকার ভূমিকা খুঁজে বের করবে। পাশাপাশি অত্যাধুনিক গবেষণা প্রকল্পে নরওয়েজিয়ান এবং অস্ট্রেলিয়ানদের সহযোগিতা করবে।  

এই অভিযানের সময় রস সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে একটি নতুন বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যা অ্যান্টার্কটিকায় চীনের পঞ্চম গবেষণা কেন্দ্র এবং চাংচেং এবং চংশান স্টেশনের পরে তৃতীয় স্থায়ী গবেষণা কেন্দ্রে পরিণত হবে। 

এছাড়া ৫ হাজার ২৪৪ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে নতুন গবেষণা কেন্দ্র তৈরি করা হবে।কেন্দ্রটি গ্রীষ্মকালে ৮০ জন অভিযাত্রী দলের সদস্য এবং শীতকালে ৩০ জন সদস্যকে সহায়তা করতে সক্ষম হবে। এই স্টেশনটি অ্যান্টার্কটিকার বায়ুমণ্ডলীয় এবং সামুদ্রিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণের  পাশাপাশি সেখানকার জৈবিক ও পরিবেশগত অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করবে।

প্রথমবারের মতো অ্যান্টার্কটিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা মিশন পরিচালনায় ব্যবহৃত হবে তিনটি জাহাজ এবং এই মিশন চলবে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে। 
সূত্র:নাহার- শান্তা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ বাংলা।