NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

প্রথম একসঙ্গে পদোন্নতি পেলেন বগুড়ার পুলিশ সুপার এসপি দম্পতি


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম

প্রথম একসঙ্গে পদোন্নতি পেলেন বগুড়ার পুলিশ সুপার  এসপি দম্পতি

এম আব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া থেকে : বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও তার স্ত্রী পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (পুলিশ সুপার পদমর্যাদা) সুনন্দা রায় একসঙ্গে পদোন্নতি পেয়েছেন। অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে পদোন্নতি পাওয়া বাংলাদেশ পুলিশে এটিই প্রথম। এর আগে পুলিশে কর্মরত একাধিক দম্পতি পদোন্নতি পেলেও তারা একসঙ্গে পাননি। বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের পদোন্নতি দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।বগুড়ার এসপি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, দুজন একসঙ্গে পদোন্নতি পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। এটা আমাদের স্বামী-স্ত্রীর কর্মের স্বীকৃতি। এজন্য আমরা অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপিসহ সিনিয়র কর্মকর্তা যারা আমাদের বিবেচনা করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।পুলিশ সুপার দম্পতি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও সুনন্দা রায় দুজনই বিসিএস ২৪তম ব্যাচের কর্মকর্তা। দুজনই দীর্ঘদিন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবার-সংসার সামলে স্বামী-স্ত্রী দুজনের এমন কৃতিত্ব বাংলাদেশ পুলিশে বিরল। তাদের এমন সফলতা স্বামী-স্ত্রী উভয়ই পুলিশে চাকরিরতদের জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত বলে মনে করেন অনেকেই।

সুদীপ কুমার চক্রবর্তী পড়ালেখা শেষ করেছেন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সুনন্দার পড়ালেখা সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৫ সালে রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণের সময় দুজনের পরিচয় ও প্রণয়। অতঃপর পরিণয়, যাকে বলে মধুরেণ সমাপয়েৎ। সুদীপ কুমার চক্রবর্তী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে মর্যাদাসম্পন্ন বিপিএম পদক অর্জন করেছেন। এছাড়া সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও করোনা অতিমারিতে সম্মুখযোদ্ধার দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

২০০৮ সালে বিয়ে করেন সুদীপ-সুনন্দা। আলোকিত এ দম্পতির ঘরে দুই মেয়ে। বড় মেয়ে শিঞ্জন, ছোট মেয়ে গুঞ্জন। ২০০৯ সালে ২৪তম বিসিএসের সব ক্যাডার অফিসারকে নিয়ে ৪৩তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রথম হন সুদীপ। এজন্য তিনি পান রেক্টর মেডেল। ৪৪তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সে দ্বিতীয় হন সুনন্দা।সুনন্দা রায় সার্কভুক্ত আটটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একমাত্র নারী যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (এফবিআই) প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

সুনন্দা রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই একাডেমি কোয়ান্টিকোতে এক বছর প্রশিক্ষণ নেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা পুলিশ সদরদপ্তরে এসপি পদমর্যাদার সহকারী ইন্সপেক্টর জেনারেল (এআইজি) পদে ক্রাইম অ্যানালাইসিস বিভাগে কর্মরত। চলতি বছর পুলিশ সপ্তাহে তিনি পুলিশের সম্মানজনক পদক বিপিএম পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে পদক পরিয়ে দেন।

কর্মজীবনে দুজনই জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে গিয়েছেন। এক্ষেত্রে সুনন্দা রায়ের পাল্লা ভারি। তিনি ইংল্যান্ড, হাওয়াই, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গিয়েছেন। এফবিআই একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। আর সুদীপ চক্রবতী গিয়েছেন ইতালিতে। বাঙালি নারী সুনন্দা রায় কর্মজীবনে মেধাভিত্তিক ছাপ রাখছেন। তিনি ডিএমপির ইনটেলিজেন্স অ্যানালাইসিস ডিভিশনের প্রধান ছিলেন। ডিএমপিতে প্রশিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।