NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

বেইজিংয়ে ‘প্রথম চায়না ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইন প্রমোশন এক্সপো’ সময়োপযোগী; রেবেকা গ্রিনস্প্যান।


লিলি: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৫ এএম

বেইজিংয়ে ‘প্রথম চায়না ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইন প্রমোশন এক্সপো’ সময়োপযোগী; রেবেকা গ্রিনস্প্যান।

 ‘প্রথম চায়না ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইন প্রমোশন এক্সপো’ ২৮ নভেম্বর বেইজিংয়ে উদ্বোধন করা হয়েছে। পাঁচ দিনের এই এক্সপোর থিম ‘ভবিষ্যত গঠনে বিশ্বের সংযুক্তি।’ এতে অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সংস্থা বিভিন্ন সাপ্লাই চেইনের উজান, মধ্য ও নিচের দিকের মূল অংশের নতুন প্রযুক্তি, পণ্য ও পরিষেবা প্রদর্শনের দিকে মনোনিবেশ করবে।

‘প্রথম চায়না ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইন প্রমোশন এক্সপো’ অঞ্চলের মোট আয়তন এক লাখ বর্গমিটার এবং এতে স্মার্ট অটোমোবাইল চেইন, গ্রিন এগ্রিকালচারাল চেইন, ক্লিন এনার্জি চেইন, ডিজিটাল টেকনোলজি চেইন এবং হেলদি লাইফ চেইনসহ পাঁচটি প্রধান চেইন এবং সাপ্লাই চেইন সার্ভিস প্রদর্শনী এলাকা স্থাপন করা হয়।

বিভিন্ন চেইনের বিভিন্ন অংশের উন্নত প্রযুক্তি, পণ্য ও ভবিষ্যত উন্নয়নের প্রবণতা দেখানোর সঙ্গে সঙ্গে আর্থিক, লজিস্টিক ও প্ল্যাটফর্ম এন্টারপ্রাইজসহ অন্যান্য পরিষেবা প্রদর্শিত হচ্ছে; যাতে বিভিন্ন সাপ্লাই চেইনের উজান, মধ্য ও নিম্ন পর্যায়ের শিল্পের সহযোগিতা ও অভিন্ন উন্নয়ন সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়। 

চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের চেয়ারম্যান রেন হোংবিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, “প্রথম এই এক্সপোতে ৫১৫টি দেশি-বিদেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং সংস্থা অংশগ্রহণ করেছে, ছয়টি ফোরামের পাশাপাশি ট্রেড প্রমোশন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ফোরাম এবং গ্লোবাল ট্রেড প্রমোশন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ফোরাম আয়োজন করা হচ্ছে। সাপ্লাই চেইন প্রমোশন রিপোর্ট কনফারেন্স এবং ২০টিরও বেশি সহায়ক কার্যক্রমে দেশি-বিদেশি প্রদর্শকরা প্রচুর সংখ্যক নতুন পণ্য, প্রযুক্তি এবং পরিষেবা প্রদর্শন করবে। প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী সব বন্ধুরা সাপ্লাই চেইন এক্সপোর প্ল্যাটফর্ম কাজে লাগিয়ে বিনিময় ও সহযোগিতা জোরদার করবে এবং প্রচুর সাফল্য অর্জন করবে বলে আমি আশা করি।”

পণ্যের গবেষণা, নকশা ও কাঁচামাল কেনা ও পরিবহন, আধা-সমাপ্ত এবং সমাপ্ত পণ্যের উৎপাদন ও বিতরণ থেকে চূড়ান্ত খরচ পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া একটি চেইন সিস্টেম তৈরি করেছে, যার জন্য দক্ষ সহযোগিতা প্রয়োজন। এই সিস্টেমটিকে স্পষ্টভাবে একটি সরবরাহ চেইন বলা হয়।

বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলনের মহাসচিব রেবেকা গ্রিনস্প্যান বলেন, বিশ্বব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মহলের সহযোগিতা বেগবান করতে সাপ্লাই চেইন এক্সপোর মতো এমন একটি উদ্ভাবনী উপায় ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজন এবং তা সময়োপযোগী। তিনি বলেন, “এই ধরনের একটি আন্তঃসংযুক্ত নেটওয়ার্ক পাঁচটি মহাদেশকে সংযুক্ত করে, বিশ্বের নাগরিকদেরকে সংযুক্ত করে এবং একটি জটিল নেটওয়ার্ক আকারে উৎপাদক, ভোক্তা ও বাজার সংযুক্ত করে। তারাই প্রকৃত চালিকাশক্তি এবং মানবজাতিকে ঘনিষ্ঠ করে তুলতে পারে।”

উল্লেখ্য, প্রথম চায়না ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইন প্রমোশন এক্সপো’র ২৬ শতাংশ হলো আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারী। তার মধ্যে আমেরিকান এবং ইউরোপীয় কোম্পানির আন্তর্জাতিক প্রদর্শকদের মোট সংখ্যার ৩৬ শতাংশ। তা ছাড়া, চীনের মুলভূভাগের বাইরে মোট ৫৫টি দেশ ও অঞ্চলের অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীরা এতে অংশ নেয় এবং তার মধ্যে রয়েছে “এক অঞ্চল, এক পথ” উদ্যোগে যৌথ নির্মাণকারী ৪০টি দেশ। তাদের মধ্যে, কাজাখস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো পুরানো বন্ধুদের পাশাপাশি নতুন অংশীদার যেমন হন্ডুরাস, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং এল সালভাদর রয়েছে। 

ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক পামেলা কোক-হ্যামিল্টন বলেন, সাপ্লাই চেইন এক্সপো সব দেশের জন্য সহযোগিতার বিশাল সুযোগ নিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, “এমন মহা-সম্মেলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও অনন্য। এটি সাপ্লাই চেইনের উজানে, মাঝামাঝি ও নিচের দিকের মানুষকে একীভূত করতে পারে। বিদগ্ধ মহল, শিল্প মহল এবং আরো ব্যাপক মহলকে সংযুক্ত করে আরো বিস্তৃত সহযোগিতা চালানো সম্ভব হবে।”
সূত্র:চায়না মিডিয়া গ্রুপ।