NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

নারী অধিকার ও সুস্বাস্থ্য সংরক্ষণে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৩ পেলেন ডা. হালিদা হানুম


মশিউর আনন্দ: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৫ এএম

নারী অধিকার ও সুস্বাস্থ্য সংরক্ষণে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৩ পেলেন ডা. হালিদা হানুম

 

ডা. হালিদা হানুম আখতার ১৯৪৫ সালের ১৮ই জানুয়ারি রংপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ডা. হালিদা আলহাজ্ব মো: হাবিবুদ্দিন এবং ডা. হুমায়রা খানমের কন্যা। ডা. হুমায়রা খানম রংপুরে ১৯৬০ সাল থেকে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে স্বনামধন্য ছিলেন। ডা. হালিদা একজন প্রজনন স্বাস্থ্য এপিডেমিওলজিস্ট। প্রজনন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁর ৪০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা এবং দেশে ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তাঁর কাজের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন। স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পর ডা. হালিদা হানুম আখতার জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি থেকে জনস্বাস্থ্যে মাস্টার্স ও ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি সিডিসি- সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল, আটলান্টা, জর্জিয়া থেকে রকাফেলার ফেলো হিসেবে Epidemic Intelligence Services- EIS প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হন। নারী স্বাস্থ্য বিষয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার পাশাপাশি প্রজনন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় তাঁর নেতৃত্বের ভূমিকার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ নেতৃস্থানীয় প্রজনন স্বাস্থ্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BIRPERHT)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ছিলেন, বাংলাদেশের বৃহত্তম পরিবার পরিকল্পনা সংস্থার (FPAB) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি রংপুরে একটি তৃণমূল স্তরের সংস্থা তৈরি করেছেন, যা নারীদের সুস্বাস্থ্য ও মাতৃত্ব বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে গর্ভনিরোধক কার্যকারিতা, প্রজনন স্বাস্থ্য চাহিদা, পরিষেবা, মাসিক নিয়ন্ত্রণ গর্ভপাত, মাতৃত্বকালীন অসুস্থতা এবং মৃত্যুহার রোধ। এসকল কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ডা. হালিদা হানুম আখতার ২০০৬ সালে একমাত্র বাংলাদেশী নারী হিসেবে একক ক্যাটাগরিতে 'United Nations Population Award'-এ ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি বহু আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সম্মাননা অর্জন করেছেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ডা. হালিদাকে বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশীপ ২০২৩ প্রদান করেছে।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনা নারীদের ধানমন্ডি ৭ নম্বর রোডের ১৬ বি (বর্তমান ঠিকানা) 'সাদা বাহার'-এর সেবা সদন হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের একজন আদর্শ দেশপ্রেমিক হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। পাকিস্তান হানাদার বাহিনী কর্তৃক অত্যাচারিত গর্ভবর্তী নারীদের প্রয়োজনীয় পরিচর্যা, গর্ভপাত, ডেলিভারি বিষয়ে শারীরিক সুচিকিৎসা ও মানসিক উন্নয়নসহ পুনর্বাসন ব্যবস্থাপনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, রংপুরের একজন উপদেষ্টা।

নারী অধিকার ও নারীর সুস্বাস্থ্য সংরক্ষণে বিশেষ অবদানে স্বীকৃতিস্বরূপ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ডা. হালিদা হানু আখতারকে 'বেগম রোকেয়া পদক-২০২৩' এ ভূষিত করা হয়।