NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
ইরানে আজ ‘কঠোর আঘাত হানার’ হুমকি দিলেন ট্রাম্প ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সুপ্রিম লিডারের নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে ইরান শাহবাগে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের হাতাহাতি ভালো আছেন হায়দার হোসেন The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত
Logo
logo

সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ চীনা জাতির মহান পুনরুত্থানের নির্ণায়ক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রকাশিত:  ০৮ মার্চ, ২০২৬, ০১:৪২ এএম

সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ চীনা জাতির মহান পুনরুত্থানের নির্ণায়ক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে

৪৫ বছর আগে, চীনের তৎকালীন শীর্ষনেতা তেং সিয়াও পিং সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ সিদ্ধান্তকে সমসাময়িক চীনের ভাগ্য নির্ণায়ক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আর দশ বছর আগে চীনের বর্তমান শীর্ষনেতা সি চিন পিং সার্বিকভাবে সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ বেগবানে ধারাবাহিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন, যা চীনা জাতির মহান পুনরুত্থানের নির্ণায়ক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ থেকে সার্বিকভাবে সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের নীতিতে উত্তরণ চীনা উন্নয়নের যেন চাবিকাঠি। 

৪৫ বছর আগে চীনের মাথাপিছু আয় ছিল ১৯০ মার্কিন ডলার; আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ ছিল মাত্র ২০০০ কোটি মার্কিন ডলার। তেমন এক প্রেক্ষাপটে তৎকালীন শীর্ষনেতা তেং সিয়াও পিং সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর উদ্যোগের কারণে, সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ একটি মূলনীতি হিসেবে চীনের সংবিধানে স্থান পায়। তাই সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ নীতিগতভাবে ক্ষমতাসীন পাটির একটি মহান জাগরণ এবং চীনা জাতির উন্নয়নের ইতিহাসে একটি মহা বিপ্লব হিসেবে চিহ্নিত হয়। এ ধারণা বাস্তবায়নের ফলে চীনা বৈশিষ্ট্যময় সমাজতান্ত্রিক কাজে লক্ষণীয় উন্নতি সাধিত হয় এবং সমসাময়িক চীনের ভাগ্য বদলে যায়। 

সমস্যার সমাধানে সংস্কারকাজ চালানো হয়, আবার সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়ায় সংস্কারকাজ গভীরতর করতে হয়। সংস্কার গভীরতর করার পথে যে সমস্যা ও দ্বন্দ্বের সম্মুখীন হতে হয়, তা খুব জটিল। চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং একসময় বলেছিলেন, ‘চীনের সংস্কার গভীর জলে প্রবেশ করেছে। ভালো খাবার সবই খাওয়া শেষ, পড়ে আছে কেবল শক্ত হাড়’।  দশ বছর আগে বা ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সার্বিকভাবে সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ গভীরতর করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সার্বিকভাবে সংস্কার গভীরতরকরণ কমিশনের মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করে উচ্চ পর্যায়ে সংস্কারের পরিকল্পনা করেন এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন। 

গত দশ বছরে সার্বিকভাবে সংস্কার গভীরতর করার মাধ্যমে চীনে প্রায় ১০ কোটি মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম শিক্ষা, সামাজিক নিশ্চয়তা এবং চিকিত্সা ব্যবস্থা গঠিত হয়েছে চীনে। দশ বছরে চীন আধুনিক শিল্পব্যবস্থা গঠন, সবুজ বিপ্লব প্রমোট, সার্বিক ও কঠোরভাবে পার্টি প্রশাসন, এবং দূনীতি দমনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। এর ফলে দেশটিতে প্রধান খাতগুলোর সংস্কারে মূল কাঠামো মোটোমুটি গঠিত হয়ে যায় এবং অনেক খাত পুনর্গঠন করা হয়। ২০২২ সালে চীন সার্বিকভাবে সংস্কার গভীরতর করাকে চীনের বৈশিষ্ট্যময় আধুনিকায়ন এবং জাতির মহান পুনরুত্থান বাস্তবায়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে নির্ধারণ করে। 

চীনের সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে চীন বহু বছর ধরে ৩০ শতাংশ অবদান রেখে আসছে। উন্নত বা উন্নয়নশীল বা অনুন্নত, সব দেশই চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে। 

চীন সংস্কারের মাধ্যমে নিজের উন্নয়নের নানান সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি, ইতিবাচকভাবে দারিদ্র্যমুক্তকরণ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও শরণার্থী সংকটসহ নানা বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক সংলাপ ও সহযোগিতায় চীনের মেধা ও প্রস্তাব কাজে লাগছে।  

সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।