NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo
বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সভায় তথ্য

৮০ হাজার ডলারের ভায়োলেশন : আরো ৫০০ কবর ক্রয়ের সিদ্ধান্ত


সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৩ পিএম

৮০ হাজার ডলারের ভায়োলেশন : আরো ৫০০ কবর ক্রয়ের সিদ্ধান্ত

 

 


নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সভায়
জানানো হয়েছে যে কমিউনিটির বড় হওয়ার কারণে মানুষের কবরের
প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। ফলে সোসাইটির পক্ষ থেকে আরো ৫০০ কবর
ক্রয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় আরো জানানো হয় যে, সোসাইটি ভবন
রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়সহ সিটি কর্তৃক বিভিন্ন ভায়োলেশনের জন্য বিপুল
পরিমান অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ভবন μয়ের পর থেকেই অর্থাৎ ১৯৯৩ সাল
থেকে এসব ভায়োলেশন বর্তমান কার্যকরী পরিষদকে রিমোভ এবং সেটেল্ড
করতে হচ্ছে। এব্যাপারে এ পর্যন্ত আনুমানিক ১৮ হাজার ২৫০ ডলার
ইতিমধ্যেই ব্যয় করা হয়েছে। এছাড়াও এটর্নী নিয়োগ করে আন্যান্য
ভায়োলেশনের সিভিল পেলান্টি মওকুফের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে বিভিন্ন
ভায়োলেশনের পরিমান ৮০ হাজার ডলারের বেশী।
সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুর রব মিয়ার সভাপতিত্বে রোববার
(২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কুইন্স প্যালেসে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের সহ সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী পরিচালনায়
সভার কার্যক্রম শুরু করেন সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও সভামঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন সহ
সভাপতি ফারুক চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ নওশেদ হোসেন।
সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন গ্রেটার নোয়াখালী
সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ জসিম। এরপর বিশেষ দোয়া করা হয়।
দোয়া পরিচালনা করেন সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও
গঠনতন্ত্র সংশোধন কমিটির চেয়ারম্যান একেএম ফজলে রাব্বী। এরপর
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হওয়ার পর স্বাগত বক্তব্য
রাখেন সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুর রব মিয়া। পরবর্তীতে সভায় সাধারণ
সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের রিপোর্ট পেশ করেন যথাক্রমে সাধারণ সম্পাদক
রুহুল আমীন সিদ্দিকী ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ নওশেদ হোসেন।
সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুর রব মিয়া তার বক্তব্যে সোসাইটির বর্তমান
পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং সোসাইটি ভবন ঋণমুক্ত হয়ে নিজস্ব ভবনে
পরিণত হয়েছে এবং সোসাইটির দোকান ভাড়া থেকে আয় হচ্ছে বলে
জানান। তিনি সোসাইটিকে আরো এগিয়ে নিতে সকলের
সহযোগিতা কামনা করেন এবং আগামী দিনে সোসাইটিতে আরো
যোগ্য নেতৃত্ব আসবে বলেও প্রত্যাশা করেন। এছাড়াও তিনি
সোসাইটির পক্ষ থেকে আরো কবর ক্রয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
এরপর সহ সভাপতি ফারুক চৌধুরী বক্তব্য রাখার পর সাধারণ সম্পাদক তার
রিপোর্ট পেশ করেন। রিপোর্ট দু’টি পাঠের পর উপস্থিত সদস্যরা
আলোচনায় অংশ নেন এবং পরবর্তীতে তা অনুমোদিত হয়। সভায়
ট্রাষ্টিবোর্ডের সদস্য, কার্যকরী পরিষদের কর্মকর্তা, আজীবন সদস্য
সহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সভায় শন্তি-
শৃঙ্খলা বজার রাখা এবং নিরাপত্ত¡ার স্বাার্থে একাধিক সিউকিরিটি
গার্ড নিয়োজিত ছিলো।
সভায় কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন প্রধান
নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি,
ট্রাষ্টিবোর্ডের সদস্য যথাক্রমে হাজী মফিজুর রহমান, আজিমুর রহমান
বুরহান, এমদাদুল হক কামাল, জহিরুল ইসলাম মোল্লা ও আতোয়ারুল
আলম, ট্রাষ্টিবোর্ডের সাবেক সদস্যকাজী আজহারুল হক মিলন,
সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতোয়ার রহমান সেলিম, সাবেক কোষাধ্যক্ষ
মোহাম্মদ আলী, সাবেক কর্মকর্তা জামান তপন, সৈয়দ এম কে জামান,
নূরুল হক, আবুল কাশেম, নাদেও এ আইয়্যুব, একেএম রফিকুল ইসলাম
ডালিম, নির্বাচন কমিশনের সদস্য আনোয়ার হোসেন, আব্দুল
বাসিত, গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটির সভাপতি নাজমুল হক
মানিক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর

মশিউর রহমান, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ইউএসএ’র সভাপতি রাফেল
তালুকদার ও প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, কমিউনিটি
অ্যাক্টিভিষ্ট সালেহ চৌধুরী, বদরুল হক আজাদ, এম উদ্দিন পিন্টু, রুহুল
আমীন, আলমগীর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও সোসাইটির অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জন
সংযোগ ও প্রচার সম্পাদক- রিজু মোহাম্মদ, সাহিত্য সম্পাদক- ফয়সল
আহমদ, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক- মাইনুল উদ্দিন মাহবুব, স্কুল ও শিক্ষা
সম্পাদক- প্রদীপ ভট্টাচার্য, কার্যকরী সদস্য যথাক্রমে মোহাম্মদ সাদী
মিন্টু, ফারহানা চৌধুরী, শাহ মিজানুর রহমান, আবুল বাশার ভূইয়া,
আক্তার হোসেন বাবুল প্রমুখ। সভার এক পর্যায়ে কার্যকরী কমিটির
কর্মকর্তাদের মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।
সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট:
সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী তার রিপোর্টের শুরুতেই সভায়
উপস্থিত সবাইকে আসন্ন ইরেজী নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান এবং
মাতৃভূমি বাংলাদেশের মহান ভাষা আন্দোলন ও মহান স্বাধীনতা
আন্দোলনে সকল শহীদসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মদান
করা বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। সেই সাথে তিনি যারা
১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করে সোসাইটিকে
আজকের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন। এছাড়াও সোসাইটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত
যারা ইন্তেকাল করেছেন
বিশেষ করে সদ্য প্রয়াত সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর
মুক্তিযোদ্ধা ও প্রখ্যাত ছাত্রনেতা আতিকুর রহমান সালুসহ করোনা
মহামারীকালে সভাপতির দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী
মরহুম কামাল আহমেদ, সহ-সভাপতি আবদুল খালেক খায়ের ও কার্যকরী
সদস্য আজাদ বাকিরের কথা স্মরণ করে তাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত
কামনা করেন।
সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী রিপোর্টে তাদের বর্তমান
সময়ে নতুন কমিটির অভিষেক ও শপথ গ্রহণ, কার্যকরী পরিষদের নিয়মিত
সভা, মহান বিজয় দিবস উদযাপন-২০২২, অমর একুশে ও সম্মিলিত
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন, স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও দোয়া
মাহফিল, ক্বিরাত প্রতিযোগিতা, ইমামদের সম্মান প্রদান, ইফতার ও
দোয়া মাহফিল, ‘জাতীয় শোক দিবস’ পালন, মহান বিজয় দিবস
উদযাপন-২০২৩, সদ্য প্রয়াত আতিকুর রহমান সালু স্মরণে সভা ও দোয়া
মাহফিল প্রভৃতি কর্মকান্ডের কথা উল্লেখ করেন।

রুহুল আমীন সিদ্দিকী জানান, গত ৫ জুন সোসাইটির জরুরি বিশেষ
সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সোসাইটির গঠনতন্ত্রকে আরও
যুগোপযুগী করতে এর বিভিন্ন ধারা ও উপধারার সংশোধনীর বিষয়ে
আলোচনা এবং কতিপয় সংশোধনী প্রস্তাব গৃহীত হয়। এছাড়াও
বাংলাদেশ সোসাইটির সভায় নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়।
ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা হলেন যথাক্রমে এম. আজিজ, আকতার
হোসেন, আজিমুর রহমান বোরহান, মফিজুর রহমান, মো: এমদাদুল হক
কামাল, আব্দুল হাসিম হাসনু, মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, ওয়াসি
চৌধুরী, খোকন মোশারফ, মো: শাহজাহান সিরাজী, মো: জহিরুল
ইসলাম মোল্লা ও মো: আতরাউল আলম।
৫০০ কবর μয়ের সিদ্ধান্ত
রুহুল আমীন সিদ্দিকী আরো জানান, সোসাইটির জন্য আরো ৫০০ কবর
μয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দিন দিন কমিউনিটি বড় হওয়ার কারণে
কবরের প্রয়োজনীয়তা থাকায় এই কবর μয়ের সিদ্ধান্ত হয় এবং বর্তমানে
তা প্রμিয়াধীন আছে। নতুন কবর μয়ের জন্য আনুমানিক ৫০০ হাজার
ডলার প্রয়োজন। সোসাইটির ফান্ডে এতো অর্থ না থাকায়
কমিউনিটির বিত্তবানসহ সকলকে সাধ্যমত কবর μয়ে এগিয়ে আসার
জন্য বিনীত আহŸান জানান। তিনি আরো জানান, ইতিপূর্বে
সোসাইটির μয়কৃত ৬০০ কবরের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি কবর
অবহৃত রয়েছে। শুধুমাত্র মহামারি করোনার সময় ২৭০টি কবর বিভিন্ন
জনকে দেয়া হয়। সোসাইটির এই উদ্যোগ কমিউনিটি সহ সকল মহলে
প্রশংসিত হয় বলেও তিনি তার রিপোর্টে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান কার্যকরী কমিটি দায়িত্ব নেয়ার পর
সোসাইটির মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি আর্থিক সঙ্গতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে
সদস্য সংগ্রহ অভিযানে বিশেষ মনোযোগী হয়। এ পর্যন্ত
সোসাইটির ইতিহাসে সর্বাধিক ৩ শতাধিক প্রবাসী আজীবন
সদস্যপদ গ্রহণ করেন এবং প্রায় ৩০০ জন নতুন সাধারণ সদস্য পদ
নবায়ন করেন বলে জানান।
সোসাইটির অর্থ ব্যাংক থেকে আতœসাতের চেষ্টা
সোসাইটির অর্থ আতœসাতের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত
সেপ্টেম্বর মাসে সোসাইটির ব্যাংক একাউন্ট থেকে একাধিক ভুয়া
চেকের মাধ্যমে এক লাখ ৬৫ হাজার ডলার উত্তোলন করার ঘটনা ঘটে।
তাৎক্ষনিক খবরটি জেনে আমরা তরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ২৪ ঘন্টার
মধ্যেই পুরো অর্থ উদ্ধার করতে সক্ষম হই। এজন্য সভাপতি মোহাম্মদ রব
মিয়া ও কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ নওশেদ হোসেনের বিশেষ ভূমিকার কথাও

উল্লেখ করে বলেন এব্যাপারে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করে এবং
দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করতে সর্বোচ্চ আইনী প্রμিয়া চলমান রয়েছে
বলে জানান।
সোসাইটির ভবন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোসাইটির বর্তমান ভবন
সম্পূর্ণ পেইড আপ। কিন্ত ভবনটি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়সহ সিটি কর্তৃক
বিভিন্ন ভায়োলেশনের জন্য বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ভবন
μয়ের পর থেকেই অর্থাৎ ১৯৯৩ সাল থেকে এসব ভায়োলেশন বর্তমান
কার্যকরী পরিষদকে রিমোভ এবং সেটেল্ড করতে হচ্ছে। এব্যাপারে এ পর্যন্ত
আনুমানিক ১৮ হাজার ২৫০ ডলার ইতিমধ্যেই ব্যয় করা হয়েছে। যার মধ্যে
১৫ হাজার ৭৫০ ডলার ব্যয় করে বয়লারের ভায়োলেশন রিমুভ করা হয়। এছাড়াও
এটর্নী নিয়োগ করে আন্যান্য ভায়োলেশনের সিভিল পেলান্টি মওকুফের
চেষ্টা চলছে। যার পরিমান ৮০ হাজার ডলারের বেশী। এবাবদ ২ হাজার ৫০০
ডলার এটর্নী ফি পরিশোধ করা হয়েছে।
সোসাইটি ভবন রেন্যুভেশন
রুহুল আমীন সিদ্দিকী বলেন, দীর্ঘদিন পর ভবন রেন্যুভেশন করে ভবনটি
সুন্দর করা হয়েছে। ফলে যে কেউ সোসাইটি ভবনে আসলে ভালো লাগবে
এবং খুশি হবেন। যার ফলে এখন অনেক অনুষ্ঠান সোসাইটি ভবনেই
আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
কোষাধ্যক্ষের রিপোর্ট:
কোষাধ্যক্ষের রিপোর্টে মোহাম্মদ নওশেদ হোসেন তার রিপোর্টেও
শুরুতেই উপস্থিত সকলে প্রতি ইংরেজী নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান এবং
গভীর শ্রদ্ধার সাথে ১৯৭৫ সালে যারা বাংলাদেশ সোসাইটি প্রতিষ্ঠা
করেছেন এবং পরবর্তীতে নেতৃত্ব দিয়ে সোসাইটিকে আজকের
পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
সেই সাথে তিনি ১৯৭৫ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যারা ইন্তেকাল
করেছেন তাঁদের বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনা করেন এবং যারা
বিগত নির্বাচনে ভোট দিয়ে বর্তমান কমিটিকে নির্বাচিত
করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর আমরা অভিষিক্ত হওয়ার পর ১ নভেম্বর
থেকে দায়িত্বপালন শুরু করি। আমাদের দায়িত্ব গ্রহণকালীন সময়ে
সোসাইটির ব্যাংক একাউন্টে ছিলো ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮২৬ ডলার ৬০
সেন্ট। বর্তমানে সোসাইটির তিনটি ব্যাংক একাউন্টে ৩০শে
নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ২ লাখ ৫১ হাজার ৩১০ ডলার রয়েছে।
সোসাইটির আয়-ব্যয়ের হিসাব সিপিএ’র কর্তৃক অডিটকৃত
উল্লেখ করে বলেন, সোসাইটির ইতিহাসে অল্প সময়ের মধ্যে সবচেয়ে

বেশী সংখ্যক ৩০৪জন প্রবাসী বাংলাদেশী আজীবন সদস্যপদ গ্রহণ
করেছেন। আজীবন সদস্য ফি ৭৭ হাজার ডলার আয় হয়েছে। এবং সাধারণ
সদস্য ২৮২ জন থেকে আয় হয়েছে ৫ হাজার ৬৪০ ডলার (নভেম্বর ২০২৩
পর্যন্ত)। আজীবন সদস্য ও সদস্য থেকে মোট আয় হয়েছে ৮২ হাজার
৬৪০ ডলার। এছাড়াও গ্রেভিয়ার্ড থেকে আয় ও অনুদান সহ পাওয়া
গেছে ৪৯ হাজার ৯০০ ডলার।
রিপের্টে তিনি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর সময়ের
মধ্যে কে বা কারা স্বাক্ষর জাল করে সোসাইটির ব্যাংক একাউন্ট থেকে
তিনটি ট্র্যানজেকশনের মাধ্যমে ১ লাখ ৬৫ হাজার ডলার উত্তোলনের চেষ্টা
করে তাৎক্ষনিক ৩৪ হাজার ডলার নিয়ে যায়। কিন্তু সাথে সাথে বিষয়টি
জেনে আমরা ব্যাংকের সাথে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার পর ২৪ ঘন্টার
মধ্যে সোসাইটির সম্পূর্ণ অর্থ রক্ষা করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে এ
ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন
রয়েছে।
মোহাম্মদ নওশেদ হোসেন জানান সোসাইটি আয়োজিত বিভিন্ন
অনুষ্ঠান ও ডোনেশন এবং বিজ্ঞাপন থেকে আয় হয়েছে ৩৪ হাজার ৩৫০
ডলার। এছাড়াও সোসাইটি ভবনের দোকান ভাড়া, ১ জানুয়ারী থেকে
নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত আয় হয়েছে ৫৫ হাজার ডলার। এই সময়ে
উল্লেখ্যযোগ্য ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে ৬৮ হাজার ৪৫৫ ডলার ৪ সেন্ট। অন্যান্য
ব্যয়ের হিসাব সিপিএ’র রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ
করেন।