NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

মে মাসে শুরু হবে ৩৩ তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা


মশিউর আনন্দ প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম

মে মাসে শুরু হবে ৩৩ তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা

মশিউর আনন্দ:
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে, জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন ড.নরুন নবী বলেন, চলছি বছরের মে মাসের শেষ সপ্তাহে বসবে ৪ দিন ব্যাপী ৩৩ তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কার্যকরী কমিটি ও ২০২৩ নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার আহ্বায়ক ড. নুরুন নবী বলেন, মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা গত ৩২ বছর ধরে নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে। যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৯২ সালে। বিশ্বজিত সাহার একক প্রয়াসে ১৯৯২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে অস্থায়ী শহিদ মিনার স্থাপন করে শহিদদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি দুই দিন ব্যাপী বইমেলার গোড়াপত্তন করে মুক্তধারা নিউ ইয়র্ক ও বাঙালির চেতনা মঞ্চ। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একুশকে তুলে ধরা ও বাংলা বইমেলার শুরু করার বিষয়টি ছিল সে সময়ে অনেকটা অচিন্তনীয়।প্রথমদিন ব্রুকলিনের একটি স্কুলে, দ্বিতীয় দিন কুইন্সের একটি চার্চে টেবিল পেতে বই প্রদর্শনী, বিক্রি, কবিতা পাঠ, আলোচনা সভা আয়োজনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল বহির্বিশ্বে এক অভাবনীয় ঘটনা। পরের বছর ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ থেকে এলেন ইউপিএল প্রকাশনা সংস্থার প্রখ্যাত প্রকাশক মহিউদ্দিন আহমেদ। বছর বছর যুক্ত হতে থাকলেন বাংলাদেশের আরো প্রকাশক এবং লেখক। প্রথম থেকেই বইমেলা উদ্বোধনে ভিন্নমাত্রা যোগ করলো নিউ ইয়র্ক বাংলা বই মেলা। প্রতি বছরই বাংলা ভাষার স্বনামধন্য লেখক বইমেলা উদ্বোধন করবেন, এমন সিদ্ধান্তের ব্যতিক্রম ঘটেনি এ পর্যন্ত। বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গের খ্যাতনামা প্রকাশনা যোগ দিয়ে এ বইমেলাকে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লেখক, কবি, শিল্পী ও পাঠকদের মিলনমেলা ক্রমে ক্রমে রূপ পেলো বাংলা ভাষা, সাহিত্য এবং কৃষ্টির নিবিড় চর্চাকেন্দ্র হয়ে। বাংলাদেশ এবং কলকাতা বইমেলার পর মুক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজিত নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা সবচেয়ে বড়ো আয়োজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বিশ্ব বাঙালির কাছে। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের পথ অনুসরণ করে ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে এবং দেশে দেশে বাংলা বইমেলা আয়োজিত হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।"যত বই তত প্রাণ" শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৪ বইমেলার আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন সাংবাদিক ও লেখক হাসান ফেরদৌস। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠান হবে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। সোস্যাল মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে থাকছে বিশেষ আলোচনা। অভিবাসীদের জীবনচরিত নিয়ে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্ছিত্র প্রদর্শন এবং অর্ধ শতাধিক লেখকের নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও বই পরিচিতিমূলক অনুষ্ঠান থাকবে। বইমেলার চারদিনই থাকবে বিভিন্ন পর্বে আমেরিকায় বেয়ে বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মদের নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। ৩৩ তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলায় বাংলাদেশ থেকে ২৫টির মতো প্রকাশনা সংস্থা, কোলকাতা থেকে ৫টি এবং নিই ইয়র্কসহ আমেরিকা, কানাডার ১০টি, মোট ৪০টির প্রকাশনা সংস্থা অংশগ্রহণ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২০টির অধিক রাজ্য থেকে এবং কানাডা, জার্মান, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, সুইডেন ও জাপান থেকে শতাধিক লেখক সাহিত্যিক এই মেলায় অংশগ্রহণ করবেন।

২০২৪ এর নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বইমেলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা কবি কামাল চৌধুরী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব খলিল আহমেদ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক কবি মিনার মনসুর, কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখরকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ এবং পশ্চিম বঙ্গের খ্যাতনামা সৃজনশীল প্রকাশকদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এবারের নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও কৃষ্টির বিশ্বায়নে বঙ্গবন্ধু প্রদর্শিত দিক নির্দেশ অনুসরণ করে।

৩৩তম নিউ ইয়র্ক বাংলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে নিউ ইয়র্ক শহরের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে আগামী মে মাসের ২৪ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত। অংশ নেবেন বাংলা ভাষার সাহিত্য ও কৃষ্টির অনুসারি পাঠক, প্রকাশক ও লেখকবৃন্দ। বিশেষ এই বই মেলা জুড়ে থাকবে লেখক, পাঠক, প্রকাশক ও নতুন বই নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা, সেমিনার ও কথকথা। তারা অংশ নেবে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও কৃষ্টির আধুনিক চর্চা উপলব্ধির নিষ্ঠ অঙ্গীকার নিয়ে। প্রতিবারের মতো এবারও দেওয়া হবে মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪। এ পুরস্কারের অর্থমান ৩০০০ ইউএস ডলার। গত বছর পুরস্কার পেয়েছেন কবি আসাদ চৌধুরী। অভিবাসী নতুন লেখকদের প্রকাশিত গ্রন্থ থেকে পুরস্কার প্রদান করা হবে শহীদ কাদরী গ্রন্থ পুরস্কার ২০২৪। অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা সংস্থা থেকে বিজয়ী শ্রেষ্ঠ প্রকাশনা সংস্থাকে পুরস্কৃত করা হবে চিত্তরঞ্জন সাহা সেরা প্রকাশনা সংস্থা পুরস্কার ২০২৪।