NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

লেসোথো হাইল্যান্ড জল সরবরাহ প্রকল্প ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ নির্মাণে অবদান রেখেছে


ছাই উইয়ে মুক্তা: প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০১:০০ পিএম

লেসোথো হাইল্যান্ড জল সরবরাহ প্রকল্প  ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ নির্মাণে অবদান রেখেছে


 



লেসোথো আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের অভ্যন্তরীণ এলাকায় অবস্থিত। সমুদ্র থেকে দেশটির উচ্চতা ১ হাজার মিটারের বেশি। তাই দেশটিকে ‘পাহাড়ের রাজ্য’ ও ‘আকাশের রাজ্য’ বলা হয়। দেশটির সম্পদ তুলনামূলকভাবে দুষ্প্রাপ্য ও অবকাঠামো নির্মাণে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন লেসোথোকে অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তা করে আসছে। 

লেসোথোর পার্বত্য অঞ্চলের জল প্রকল্প হলো দেশটি ও দক্ষিণ আফ্রিকার মাঝখানে বৃহত্তম দ্বিপক্ষীয় অবকাঠামো প্রকল্প। প্রকল্পটি মোট চার দফায় তৈরি হচ্ছে। প্রকল্পটি লেসোথোর পর্বত থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রচুর পানি সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার জন্য টানেল ও বাঁধের একটি জটিল হাব তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে পোলিহালি জল পরিবহন টানেল লেসোথো হাইল্যান্ডসে জল সরবরাহ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রধান প্রকল্প। চীনের জল-সম্পদ ও জলবিদ্যুৎ ১১নম্বর ব্যুরোর উদ্যোগে ৩নম্বর ব্যুরো ও দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় কোম্পানি যৌথভাবে প্রকল্পটি নির্মাণ করেছে। 

জল পরিবহণ টানেলের মোট দৈর্ঘ্য ৩৮ কিলোমিটার। এর ‘দীর্ঘ দূরত্ব, ছোট ক্রস-সেকশন, অত্যন্ত কঠিন শিলা, বৃহৎ গভীরতা, জটিল ভূতত্ত্ব এবং উন্নত প্রযুক্তির’ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। 

প্রকল্প নির্মাণকারী পক্ষগুলো সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনার সুবিধা উন্নীত করেছে। সুইজারল্যান্ড, ব্রিটেন, তুরস্ক, মিশর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেপালসহ ১৩টি দেশের বিশেষজ্ঞ ও উচ্চপদস্থ পরিচালক নির্মাণে অংশগ্রহণ করেছেন। 

প্রকল্প বিভাগের জনৈক চীনা প্রকৌশলী বলেন, প্রকল্পটির কর্মীরা প্রধানত লেসোথো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ। স্থানীয় সরবরাহকারীদের কাছ থেকে কাঁচামাল কেনা হয়। চীনা ও বিদেশি কর্মচারীদের বিনামূল্যে মৌলিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য স্থানীয় পেশাদার চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। স্থানীয় ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশিক্ষণ সংস্থাগুলোকে নিয়োগ করে স্থানীয় কর্মীদেরকে কাজের ধরন, স্তর ও ক্ষেত্র অনুসারে দক্ষতা স্তর ও পরিচালনার প্রশিক্ষণ দেয়। সার্বিকভাবে স্থানীয় মেধাবীদের দক্ষতার মান এবং ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোগের চুক্তি সম্পাদনের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে উন্নত হয়েছে।

বিশ্বের স্বল্পোন্নত ল্যান্ড-লকড দেশগুলোর একটি, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য লেসোথোর চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ উভয়ই রয়েছে। চীনের সহায়তা স্থানীয় নাগরিকদের উপকার করেছে এবং লেসোথোর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন জোরদার হয়েছে। দু’দেশের মৈত্রী আরো গভীর হয়েছে। প্রকল্পটিতে লেসোথো’র কর্মী সেকোলা লেটুকা এ সম্পর্কে বলেন,চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু আমাদেরকে টানেল নির্মাণে সহায়তা করেছে তাই নয়, বরং আমাদেরকে নির্মাণের প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা শিখিয়েছে। আমরা চীনা কোম্পানির কাছ থেকে কাজের সময়ানুবর্তিতার গুরুত্বও শিখেছি। এগুলো লেসোথোকে অনেক উপকার করেছে।
লেসোথো হাইল্যান্ড জল সরবরাহ প্রকল্পের নির্মাণ যৌথভাবে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ নির্মাণের ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে। 

সেকোলা লেটুকা এ সম্পর্কে বলেন,
আমাদের অবকাঠামোর নির্মাণে বিরাট পরিবর্তন হয়েছে। প্রকল্পটি ১৪০০ স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। এ ছাড়া আরো বেশি বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় মানুষ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুযোগ পেয়েছেন। যা স্থানীয় বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।