NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ অবরোধ থেকে সরে আসতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব
Logo
logo

চীন-কিরগিজস্তান -উজবেকিস্তান রেলপথ তাঁর দেশের উন্নয়নে বিরাট সুযোগ দিয়েছে


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম

চীন-কিরগিজস্তান -উজবেকিস্তান রেলপথ তাঁর দেশের উন্নয়নে বিরাট সুযোগ দিয়েছে

 


কিরগিজস্তানের প্রধানমন্ত্রী আকিলবেক জাপারভ সম্প্রতি চায়না মিডিয়া (সিএমজি)-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন, চীনের উন্নয়নের অভিজ্ঞতা শিক্ষণীয়। 

তিনি বলেন, চীন শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে এবং কিরগিজস্তান-চীন সম্পর্ক সর্বদা ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতার উচ্চ স্তরে থাকবে এবং দু’দেশ শান্তি ও সুখের পথে চলতে একে অপরকে সমর্থন দিয়ে যাবে। 
সাক্ষাৎকারে জাপারভ বলেন, চীন ও কিরগিজস্তান নতুন যুগে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্কের নতুন পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে চীন কিরগিজস্তানের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং আমদানির বৃহত্তম উৎস দেশ। সেই সাথে চীন কিরগিজস্তানের বিনিয়োগের বৃহত্তম দেশও বটে। 

দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্বন্ধে
জাপারভ বলেন, চীনের সাথে তাঁর দেশের এক হাজার কিলোমিটারের বেশি অভিন্ন সীমান্ত রয়েছে এবং কিরগিজস্তানে দুটি স্থল সীমান্তবন্দর রয়েছে। গত বছর, চীনের পরিসংখ্যান অনুসারে, এই দুটি সীমান্তবন্দরের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। চলতি বছর, কিরগিজস্তানে তৃতীয় সীমান্তবন্দর খোলা হবে, যা কিরগিজস্তান ও চীন সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এখন তাঁর দেশ এই বন্দরের নির্মাণকাজ শুরু করতে চীনের সিনচিয়াং উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের স্থানীয় সরকারের সাথে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করছে। 

জাপারভ বলেন, তাঁর দেশে, স্বাধীন হওয়ার ৩০ বছর পরও, কোনো নতুন রেলপথ নির্মিত হয়নি। বর্তমানে চীন-কিরগিজস্তান -উজবেকিস্তান রেলপথ তাঁর দেশের উন্নয়নে বিরাট সুযোগ দিয়েছে। গত ৬ জুন, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট নুরগোজোভিচ জাপারভ, ও উজবেগিস্তানের প্রেসিডেন্ট শভকাত মির্জিয়েভের উপস্থিতিতে, তিন দেশ এই রেলপথসংশ্লিষ্ট চুক্তি স্বাক্ষর করে। এটি শাংহাই থেকে প্যারিসের সংক্ষিপ্ততম রুট। এটি মধ্য-এশিয়াকে বাণিজ্য ও লজিস্টিক্সের কেন্দ্রে পরিণত করবে। 

তিনি বলেন,কিরগিজস্তান ও উজবেকিস্তানের মতো স্থলবেষ্টিত দেশগুলোর জন্য, আন্তঃদেশীয় রেলপথ নির্মাণ নিঃসন্দেহে তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি বিশাল ঘটনা। 

সাক্ষাৎকারে জাপারভ চীনের আধুনিকায়নের পথ নিয়ে বলেন, চীনা বৈশিষ্ট্যময় সমাজতন্ত্র পণ্ডিত, সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের অধ্যয়নের যোগ্য। চীনের উন্নয়ন-মডেল কিরগিজস্তানের জন্য উপযুক্ত। চীন ও অন্যান্য দেশের উন্নয়ন-অভিজ্ঞতা থেকে কিরগিজস্তান শিখতে পারে। 
সূত্র: শুয়েই-আলিম-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।