NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে  শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৬ এএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে  শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত

 মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের তৃতীয় ফাইনালে উঠে ভারত। আগের দুই ফাইনালে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল রোহিত শর্মার দলকে। তবে তৃতীয়বার আর খালি হাতে ফিরতে হলো না ভারতকে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা নিজেদের করে নিলো রোহিত-কোহলিরা।এই নিয়ে ক্রিকেটেরন সংক্ষিপ্ত সংস্করণের দ্বিতীয় শিরোপা নিজেদের করে নিলো ভারত। ২০০৭ সালে প্রথম আসরের শিরোপা জিতেছিল দেশটি। ১৭ বছর পর আবার শিরোপা নিজেদের দখলে নিলো ভারত।    শনিবার (২৯ জুন) বার্বাডোজের ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে ভারত।   মাত্র ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ভারত। তবে বিরাট কোহলি ও অক্ষর প্যাটেলের ব্যাটে লড়াইয়ে ফের ভারত। ফিফটি তুলে নেন কোহলি।    কোহলি ও অক্ষরের ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে ভারত। কোহলি ৫৯ বলে ৭৬ ও অক্ষর ৩১ বলে ৪৭ রান করেন। প্রোটিয়াদের পক্ষে কেশভ মহারাজ ও এনরিখ নরকিয়া নেন ২টি উইকেট।    ১৭৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১২ রানের মধ্যে জোড়া উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫ বলে ৪ রান করে আউট হন রেজা হেনড্রিকস ও এইডেন মার্করাম।  

 এরপর স্টাবসকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন ডি কক। ৫৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৭০ রানে ২১ বলে ২১ রান করে আউট হন স্টাবস।  এরপর ক্রিজে আসা হেনরিখ ক্লাসেনকে নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন ডি কক। তবে দলীয় ১০৬ রানে ৩১ বলে ৩৯ রান করে আউট হন ডি কক। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসা ডেভিড মিলারকে সঙ্গে নিয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন ক্লাসেন।     ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন এই দুই ব্যাটার। মারমুখী ব্যাটিংয়ে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন ক্লাসেন। তবে দলীয় ১৫১ রানে ২৭ বলে ৫২ রান করে ফিরে যান তিনি।  ক্লাসেনের বিদায়ের পর ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি মার্কো জানসেন। ৪ বলে মাত্র ২ রান করে আউট হন তিনি। জানসেনকে আউট করে ভারতকে জয়ের স্বপ্ন দেখান পেসার জসপ্রীত বুমরাহ।  

   শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান প্রয়োজন হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম বলেই সপাটে ব্যাট হাঁকান মিলার। বাউন্ডারি লাইনে অসাধারণ এক ক্যাচে মিলারকে সাজঘরে ফেরান সূর্যকুমার। দলীয় ১৬১ রানে ১৭ বলে ২১ রান করে আউট হন মিলার।   এরপর কাগিসো বারাদাকে আউট করে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের পক্ষে হার্দিক পান্ডিয়া নেন ৩টি উইকেট।