NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ২৪, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
'৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণের জন্মদিন পালিত বগুড়ায়
Logo
logo
কোটা আন্দোলন

'তারে কেনো গুলি করে মারলো, সে তো আন্দোলনে যায় নাই'


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জুলাই, ২০২৬, ০১:২৭ এএম

'তারে কেনো গুলি করে মারলো, সে তো আন্দোলনে যায় নাই'

 'আমার জান্নাত-আলামিন এতিম হয়ে গেলো রে। আমি কার কাছে স্বামী হত্যার বিচার চাবো? তারে কেন গুলি করে মারলো? হোটেলে যাচ্ছিলো, সে তো আন্দোলনে যায় নাই' এ ভাবেই আহাজারি করছিলেন রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা ঢাকায় নিহত আব্দুল গণি শেখের স্ত্রী লাকী আক্তার।      লাকী আক্তার বলেন, গত শুক্রবার (১৯ জুলাই) গুলশান-২ নম্বর শাহজাদপুর বাঁশতলা হয়ে তার স্বামী আব্দুল গণি শেখ (৪৫) কর্মস্থল সিক্সসিজন নামক আবাসিক হোটেলে যাচ্ছিলো। এ সময় কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে পড়ে যায়। তখন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে তার স্বামী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।   নিহত আব্দুল গণি রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার আব্দুল মজিদ শেখের ছেলে।

 জানা গেছে, শুক্রবার সকালে গুলশান ২ নম্বর এলাকার কর্মস্থল আবাসিক হোটেল সিক্সসিজন থেকে জরুরী ফোন পেয়ে গোপীবাগ উত্তর বাড্ডার বাসা থেকে বের হন আব্দুল গণি শেখ। যাবার পথে তিনি শাহজাদপুর বাঁশতলা এলাকায় কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান। আন্দোলন চলাকালীন সময়ে তার মাথার ডান পাশে গুলি লেগে অপর পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান। নিহত আব্দুল গণি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ঢাকায় হোটেলে কাজ করতেন।    

এ ঘটনায় গণির গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ছেলে, মেয়ে ও স্ত্রী লাকী আক্তারকে সান্ত্বনা দেওয়ায় ভাষা তারা খুঁজে পাচ্ছেন না স্বজনরা।  নিহতের স্ত্রী লাকি আক্তার বলেন, ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে এক স্বজন বাড়িতে ফোন করে জানান, গুলিবিদ্ধ হয়ে আব্দুল গণি মারা গেছেন। ওই দিন সকালে মোবাইল ফোনে তার স্বামী জানিয়েছিলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকার আন্দোলনের পরিস্থিতি ভালো না। তাই গ্রামের বাড়ী রাজবাড়ীতে চলে আসবেন। এ সময় দ্রুত হোটেলে যেতে তার অফিস থেকে ফোন করা হয়। আর তিনি হোটেলে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ হত্যার দায় কে নিবে, এখন আমার ছেলে-মেয়ে আর সংসারের দায়িত্ব নিবে কারা? আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই।