NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

বাংলাদেশে বিক্ষোভ দমনে বলপ্রয়োগ ও সহিংসতা, ছাত্রদের পাশে দাঁড়ালেন মার্কিন সিনেটররা


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:৩৪ এএম

বাংলাদেশে বিক্ষোভ দমনে বলপ্রয়োগ ও সহিংসতা, ছাত্রদের পাশে দাঁড়ালেন মার্কিন সিনেটররা

ছাত্র বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার জন্য বাংলাদেশি নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি জারি করেছেন মার্কিন সিনেটর ও  বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটির চেয়ারম্যান বেন কার্ডিন  ও  কোরি বুকার। এই ভয়ঙ্কর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর মধ্যে একটি আধাসামরিক ইউনিট রয়েছে যার সদস্যরা মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ইতিমধ্যেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছেন।   

 বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশে অর্থনৈতিক  ক্ষেত্রে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানাতে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরসুরিদের  জন্য  সংরক্ষিত সরকারি চাকরিতে অসম কোটা ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছে। বিক্ষোভকারীদের ন্যায্য অভিযোগে সাড়া দেবার পরিবর্তে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নসহ (র‌্যাব) বাংলাদেশ নিরাপত্তা বাহিনী নৃশংস বল প্রয়োগ করে শত শত বিক্ষোভকারীকে হত্যা করে এবং আরও হাজার হাজারকে গ্রেপ্তার ও আহত করে। শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ ও প্রতিবাদ করার অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজের অন্যতম ভিত্তি।

আমরা নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে অবিলম্বে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করার পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের অধিকারকে সম্মান  এবং তাদের অভিযোগের সমাধান করার জন্য  বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সাহসী ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়িয়েছে যারা তাদের মর্যাদার জন্য এবং একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য সংগ্রাম  করছে। আমরা বাংলাদেশে মানবাধিকারের পক্ষে কথা বলতে থাকব এবং এই ধরনের অপব্যবহারের সাথে জড়িতদের জবাবদিহি  চাই।