NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মহাসাগর আইন চুক্তি স্বাক্ষরের ৪০তম বার্ষিকীতে চীনা পররাষ্ট্র


মশিউর আনন্দ প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম

মহাসাগর আইন চুক্তি স্বাক্ষরের ৪০তম বার্ষিকীতে চীনা পররাষ্ট্র
চীনা রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ২ সেপ্টেম্বর ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে জাতিসংঘের মহাসাগর আইন চুক্তি স্বাক্ষরের ৪০তম বার্ষিকীর এক আলোচনাসভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।  ওয়াং ই বলেন, ১৯৮২ সালে জাতিসংঘের মহাসাগর আইন চুক্তির জন্ম হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে মহাসাগর প্রশাসনের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করেছে।  এ চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া, লক্ষ্য ও অনুশীলনের দিকে ফিরে তাকালে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মহাসাগর প্রশাসনের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পাওয়া যায়: বহুপক্ষবাদের সম্প্রসারণ, ন্যায্যতা ও সমতা বেগবান করা, এবং উন্মুক্তকরণ ও অগ্রগতিতে অবিচল থাকা।  ওয়াং ই বলেন, উন্নয়নশীল মহাসাগরের বড় দেশ হিসেবে চীন নিজের বৈধ স্বার্থের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সমাজের পুরো স্বার্থকে যুক্ত করেছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর পাশে থেকে চীন সম্পূর্ণভাবে সে চুক্তির বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে এবং অন্যতম প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরকারী হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছে।  তিনি বলেন, চীন বরাবরই চুক্তি মেনে চলে এবং চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি চুক্তির সম্পূর্ণতা ও কর্তৃত্ব রক্ষা করে চলে।  ওয়াং ই আরও বলেন, ‘নতুন যুগ-সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমাদের উচিত অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট কমিউনিটি গঠনের চেতনায় মহাসাগরের টেকসই উন্নয়ন বেগবান এবং বৈঠক ও সংলাপের  ভিত্তিতে মহাসাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।’   বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আরও উচ্চমানের বৈশ্বিক মহাসাগরের প্রশাসন ও মানব জাতির মহাসাগরীয় স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য আরও অবদান রাখতে চীন ইচ্ছুক বলে জানান তিনি।  সূত্র:সিএমজি