NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

‘কলম্বাস নন,আমেরিকার আবিষ্কারক ভারতীয় নাবিকরা’


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:০৮ এএম

‘কলম্বাস নন,আমেরিকার আবিষ্কারক ভারতীয় নাবিকরা’

‘কলম্বাস নন,আমেরিকার আবিষ্কারক ভারতীয় নাবিকরা’  ক্রিস্টোফার কলম্বাসের আগে ভারতীয় নাবিকরা আমেরিকা আবিষ্কার করেছেন বলে দাবি করেছেন মধ্যপ্রদেশের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ইন্দর সিং পারমার। শুধু তা–ই নয়, তিনি বলেছেন, ভাস্কো দা গামা ভারতে আসার সমুদ্রপথও আবিষ্কার করেননি। সেটা করেছিলেন চন্দন নামে গুজরাটের এক ব্যবসায়ী ।   মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজ্যের বরকতুল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসবে এ দাবি করেন তিনি।  

বিজেপির এই মন্ত্রী ইন্দর সিং বলেন, ‘ভুল ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে, ১৪৯২ সালে কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন। অথচ তার কত আগে অষ্টম শতাব্দীতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পৌঁছেছিলেন আমেরিকায়। সান দিয়েগোতে তাঁরা বেশ কয়েকটা মন্দিরও তৈরি করেছিলেন। স্থানীয় জাদুঘর ও গ্রন্থাগারে সেই তথ্যাদি রয়েছে।’  ভাস্কো দা গামার ভারতে আসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চন্দনের জাহাজ ছিল ভাস্কো দা গামার চেয়েও বড়। চন্দনের জাহাজ অনুসরণ করেই ভারতে এসেছিলেন ভাস্কো দা গামা। অথচ ইতিহাস লেখা হলো তাঁকে নিয়েই।’   পারমার এখানেই থামেননি। তিনি বলেছেন,‘দ্বাদশ শতাব্দীকে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের স্থপতিও ছিলেন একজন ভারতীয়। নাম বাল বাহু। তিনি ছিলেন নেপালের বাসিন্দা, যে দেশটি প্রাচীনকালে ভারতেরই ছিল।’  

তিনি বলেন, হাজার হাজার বছর আগে ঋগ্‌বেদে লেখা হয়েছিল সূর্য স্থির থাকে, পৃথিবী ঘোরে তার চারপাশে। পৃথিবীর চারধারে ঘোরে চাঁদ। অথচ ইতিহাসে নাম হয়েছে কোপার্নিকাসের!  মন্ত্রীর বলেন, ‘এই ভুল ইতিহাস নতুন করে লেখার দায়িত্ব আমাদেরই। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস কত সমৃদ্ধ ছিল, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি কত উন্নত ছিল, তা প্রচার করা দরকার। হীনম্মন্যতা কাটিয়ে ভারতবাসীর গর্বিত হওয়া উচিত।’  ইন্দর সিং পারমারের এই দাবি অবশ্য নতুন নয়। ১০ বছর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাহাত্ম্য উল্লেখ করেছিলেন। ২০১৪ সালে মুম্বাইয়ের এক হাসপাতালের চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, হিন্দু দেবতা গণেশের শরীরে হাতির মাথা প্রমাণ করে প্রাচীন ভারতে শল্যচিকিৎসা কত উন্নত ছিল। ২০১৭ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে হিন্দু দেবতা রামচন্দ্রের প্রকৌশল দক্ষতার উদাহরণ দিয়ে বলেছিলেন, তিনি ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে সেতু তৈরি করেছিলেন। পক প্রণালিতে সেই সেতুর অংশবিশেষ আজও দৃশ্যমান।