NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

মোদির জন্মদিনে আজমির শরীফে ৪ হাজার কেজি জর্দা বিতরণ


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

মোদির জন্মদিনে আজমির শরীফে ৪ হাজার কেজি জর্দা বিতরণ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে আজমির শরীফের দরগায় ৪ হাজার কেজি জর্দা (নিরামিষ মিষ্টি চাল) বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১০ টায় দরগায় রাখা বিখ্যাত ‘শাহী ডেগ’ এ জর্দা রান্না করে সকল ধর্মের ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মাঝে বিরতরণ করা হয়। একইসঙ্গে মাজার প্রাঙ্গণে নরেন্দ্র মোদির সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। গতকাল ১৭ সেপ্টেম্বর ছিল নরেন্দ্র মোদির ৭৪ তম জন্মদিন। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে খাজা মঈনুদ্দিন চিশতীর দরগায় এত বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।  মাজারের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা চিশতী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাজী সৈয়দ সালমান চিশতী বলেন, ‘গত ৫৫০ বছর ধরে খাজা মঈনুদ্দিন চিশতির দরগায় ৪ হাজার কেজি ওজনের একটি শাহী দেঘ রাখা হয়েছে, যেখানে নিরামিষ লঙ্গর তৈরি করা হয়। এটাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির ৭৪তম জন্মদিনে লঙ্গর তৈরির সময় কিছু বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখা হয়েছে, যাতে এই লঙ্গরটি প্রত্যেক ধর্মের মানুষের মধ্যে বিতরণ করা যায়।’   উল্লেখ্য, আজমির শরীফের দরগায় যে ‘শাহী ডেগ’ এ ৪ হাজার কেজি লঙ্গর প্রস্তুত করা যায়, তা ১৫৬৮ সালে মুঘল সম্রাট আকবর তার মানত পূরণের পরে উপহার দিয়েছিলেন। এই কড়াইতে শুধুমাত্র মিষ্টি ভাত বা হালুয়া প্রস্তুত করা হয়।