NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

এশিয়া-প্যাসিফিক সহযোগিতায় চীনের আরও গতি আনার আশা: সিজিটিএন জরিপ


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩২ এএম

এশিয়া-প্যাসিফিক সহযোগিতায় চীনের আরও গতি আনার আশা: সিজিটিএন জরিপ

 

 


এপেক শীর্ষ সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে। চলতি বছর এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা বা এপেক প্রতিষ্ঠার ৩৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে চায়না মিডিয়া গ্রুপের সিজিটিএন সারা বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটি সমীক্ষা চালিয়েছে। এর মধ্যে ৮৬.৪% উত্তরদাতারা আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় এপেকের অসামান্য সাফল্যের জন্য সংস্থাটির প্রশংসা করেছেন। তারা মনে করেন, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উদারীকরণ এবং সুবিধার স্তরকে আরও গভীর করার ক্ষেত্রে শক্তিশালী কার্যকারিতা উন্নত করেছে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলকে সর্বাধিক প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার সাথে সবচেয়ে সক্রিয় ভূ-অর্থনৈতিক খাতে পরিণত করেছে।

বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ‘লোকোমোটিভ’ হিসাবে, এপেক অর্থনীতির তুলনামূলকভাবে উচ্চ অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার প্রধানত অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক বাণিজ্য দ্বারা চালিত হয়। সমীক্ষায়, ৮৫.২% উত্তরদাতারা বিশ্বাস করেন যে, দেশগুলোকে বহুপাক্ষিকতা এবং অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের সাধারণ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং একটি উন্মুক্ত অর্থনীতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা কাঠামো গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করা উচিত। ৮৯.৫% উত্তরদাতারা মনে করেন বিভিন্ন দেশের উচিত সংরক্ষণবাদ বিরোধিতা করা, উন্মুক্ততা মেনে চলা এবং এশিয়া-প্যাসিফিক মুক্ত বাণিজ্য এলাকার নির্মাণকে উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাবের মাধ্যমে উন্নীত করা।


লিমা সম্মেলনের থিম হচ্ছে ‘ক্ষমতায়ন, অন্তর্ভুক্তি, বৃদ্ধি’। সব পক্ষই আশা করে যে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল তাদের সহযোগিতার মূল অভিপ্রায় বজায় রাখবে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করবে। সমীক্ষায়, উত্তরদাতাদের ৯৩.৭% এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সকল পক্ষকে ঐক্যমত্য গড়ে তোলার এবং একটি উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, উদ্ভাবনী এবং বৃদ্ধি-ভিত্তিক, আন্তঃসংযুক্ত ও বিজয়ী হওয়ার অভিন্ন কল্যাণের এশিয়া-প্যাসিফিক কমিউনিটি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। ৯৯.৫% উত্তরদাতারা উন্নত অর্থনীতিকে ‘গ্লোবাল সাউথ’ দেশগুলোকে আরও সহায়তা প্রদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। উত্তরদাতাদের ৯০.১% বিশ্বাস করেন যে, একটি নতুন দফা প্রযুক্তিগত বিপ্লব ও শিল্প পরিবর্তনের মুখে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর উচিত উন্নয়য় ধারণা উদ্ভাবন করা, সবুজ উন্নয়ন মেনে চলা এবং প্রবৃদ্ধির শক্তি অন্বেষণ করতে উদ্ভাবনকে ব্যবহার করা।

জরিপটি সিজিটিএন-এর ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি এবং রাশিয়ান প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৬ হাজার ৭১ জন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ভোটদানে অংশগ্রহণ করেছে এবং তাদের মতামত প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: স্বর্ণা-হাশিম-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।