NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

এবার ‘জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব’ বাতিল করলেন ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০৬:০৯ এএম

এবার ‘জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব’ বাতিল করলেন ট্রাম্প

 শপথ নিয়েই মার্কিন নীতিতে ব্যাপক উলট পালট শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। নির্বাচনী প্রচারণায় নিজের করা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বেশ জোড়েসোড়ে কাজ শুরু করেছেন তিনি। ওভাল অফিসে উঠেই অন্তত কয়েক ডজন নির্বাহী আদেশে সই করেছেন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করা ওই রিপাবলিকান নেতা। অভিবাসীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে শপথ গ্রহণের প্রথম দিনই জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। এতে বলা হয়, প্রায় ১৫০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্ম নেয়া শিশুরা ‘জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব’ পেয়ে আসছেন।

ট্রাম্প এই সাংবিধানিক অধিকারকে ‘হাস্যকর’ বলে অভিহিত করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব একেবারে হাস্যকর। তার বিশ্বাস এই বিধান বদলানোর জন্য ভালো আইনগত যুক্তি আছে। একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, অভিবাসন বিষয়ে ট্রাম্প একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি বিচার বিভাগের জাতীয় অভিবাসন আদালত পরিচালনাকারী সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়েছেন। সোমবার ট্রাম্প শপথ নেয়ার পরই এ কাজ করেন। অভিবাসন বিষয়ক নির্বাহী অফিসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আদালত পরিচালিত হয়ে থাকে। যেখানে অভিবাসন বিচারকরা সিদ্ধান্ত নেন যে অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন নাকি তাদের বহিষ্কার করা হবে।