NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

এবার ‘জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব’ বাতিল করলেন ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০২ পিএম

এবার ‘জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব’ বাতিল করলেন ট্রাম্প

 শপথ নিয়েই মার্কিন নীতিতে ব্যাপক উলট পালট শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। নির্বাচনী প্রচারণায় নিজের করা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বেশ জোড়েসোড়ে কাজ শুরু করেছেন তিনি। ওভাল অফিসে উঠেই অন্তত কয়েক ডজন নির্বাহী আদেশে সই করেছেন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করা ওই রিপাবলিকান নেতা। অভিবাসীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে শপথ গ্রহণের প্রথম দিনই জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। এ খবর দিয়েছে অনলাইন সিএনএন। এতে বলা হয়, প্রায় ১৫০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে জন্ম নেয়া শিশুরা ‘জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব’ পেয়ে আসছেন।

ট্রাম্প এই সাংবিধানিক অধিকারকে ‘হাস্যকর’ বলে অভিহিত করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব একেবারে হাস্যকর। তার বিশ্বাস এই বিধান বদলানোর জন্য ভালো আইনগত যুক্তি আছে। একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, অভিবাসন বিষয়ে ট্রাম্প একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি বিচার বিভাগের জাতীয় অভিবাসন আদালত পরিচালনাকারী সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়েছেন। সোমবার ট্রাম্প শপথ নেয়ার পরই এ কাজ করেন। অভিবাসন বিষয়ক নির্বাহী অফিসের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আদালত পরিচালিত হয়ে থাকে। যেখানে অভিবাসন বিচারকরা সিদ্ধান্ত নেন যে অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন নাকি তাদের বহিষ্কার করা হবে।