NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

৪০ বছর ইমামতির অবসান, ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায় পেলেন ইমাম জিল্লুর রহমান


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:৪৭ এএম

৪০ বছর ইমামতির অবসান, ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায় পেলেন ইমাম জিল্লুর রহমান

এম আব্দুর রাজ্জাক বগুড়া থেকে :

নাটোরের লালপুরে ৪০ বছর ইমামতির দায়িত্ব পালন শেষে মসজিদের পেশ ইমাম জিল্লুর রহমানকে রাজকীয়ভাবে বিদায় জানানো হয়েছে।   (৪ এপ্রিল শুক্রবার ) বাদ জুমা গোসাইপুর-মিল্কিপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাকে ফুলে সজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে করে নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় আবেগঘন পরিবেশে গ্রামের নারী-পুরুষরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।  ৭০ বছর বয়সী ইমাম জিল্লুর রহমান উপজেলার আড়বাব গ্রামের সোবহান মোল্লার ছেলে। তিনি ১৯৮৫ সাল থেকে টানা ৪০ বছর ধরে গোসাইপুর-মিল্কিপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বার্ধক্যজনিত কারণে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলে এলাকাবাসী তার সম্মানে এই ব্যতিক্রমী বিদায়ী আয়োজন করেন।

 বিকেলে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ফুলে সজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে করে তাকে আড়বাব গ্রামে পৌঁছে দেওয়া হয়। সেই গাড়ির পেছনে ছিল গ্রামের যুবকদের মোটরসাইকেল বহর। গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ প্রিয় ইমামকে শেষ বিদায় জানাতে রাস্তার দু’পাশে ভিড় করেন।  মসজিদ কমিটির সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, “ইমাম সাহেব ছিলেন আমাদের অভিভাবকতুল্য। তিনি শুধু ইমামতি করেননি, আমাদের জীবনের নানা দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তাই তার দীর্ঘ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এমন সম্মাননা দিয়েছি।”

 বিদায়ী মুহূর্তে ইমাম জিল্লুর রহমান আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, “জীবনের বড় একটি অংশ এই মসজিদ আর গ্রামের মানুষের মাঝে কেটেছে। আমি সারাজীবন দ্বীনের খেদমতে নিয়োজিত ছিলাম। মানুষ আমাকে এত ভালোবাসে—তা আগে বুঝিনি। আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই, তিনি আমাকে এমন সম্মান দিয়েছেন। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।”  গ্রামের ইতিহাসে এমন বিদায় আগে কখনও দেখা যায়নি বলে জানান স্থানীয়রা। ইমাম সাহেবের প্রতি মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।