NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরও ৮৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল চীন


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৯ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরও ৮৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল চীন

চীনের পণ্যের উপর ১০৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যা কার্যকর হয়েছে বুধবার (৯ এপ্রিল)। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের উপর শুল্কহার বাড়িয়েছে চীন। এবার মার্কিন পণ্যে ৮৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে দেশটি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে।  বুধবার (৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে বিবিসি।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের অর্থ মন্ত্রণালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা সমস্ত পণ্যের উপর ৮৪ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছে।  ট্রাম্পের নতুন শুল্ক কার্যকরের পর ইউরোপীয় শেয়ারবাজারগুলো নিম্নমুখী ছিল, এখন মার্কিন আমদানিতে চীনের ৮৪ শতাংশ শুল্ক ঘোষণার পরে তা আরও হ্রাস পেয়েছে। ইউকে তালিকাভুক্ত বৃহত্তম সংস্থাগুলোর এফটিএসই ১০০ সূচক আজ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। এছাড়া জার্মান, ফ্রান্সের সুচকও নেমে গেছে।  

এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২ এপ্রিল ‘মুক্তির দিন’ হিসাবে আখ্যা দিয়ে চীনের পণ্যের ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর আরোপিত ন্যূনতম ১০ শতাংশ শুল্কের অংশ হিসাবেই চীনের ওপর-ও তখন ওই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। কিন্তু এর আগে গত মার্চেও চীনা পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল।  ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ৩৪ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপ করে চীন। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। চীনের এমন শুল্ক আরোপে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ট্রাম্প।  চীনের এই পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেন। তিনি ঘোষণা করেন, যদি চীন ৮ এপ্রিলের মধ্যে মার্কিন পণ্যের ওপর থেকে ৩৪ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার না করে, তবে ৯ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের ওপর আরও অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে।

 অবশেষে, চীনের কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার ফলে ট্রাম্প ৯ এপ্রিল থেকে ১০৪ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক পোস্টে এই পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন এবং চীনকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় শোষক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন অনেক লাভবান হচ্ছে, যা আগে চীনসহ অন্যান্য দেশগুলো থেকে শোষণ করা হতো। তেল, সুদের হার ও খাদ্যের দাম কমার পাশাপাশি কোনো ধরনের মূল্যস্ফীতি না থাকার বিষয়টিও ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন।  এবার চীনের পাল্টা শুল্ক আরোপ বাণিজ্যযুদ্ধকে আরও গভীর করে তুলতে পারে। এই লড়াই দুটি দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, কারণ দুটি দেশই একে অপরের প্রধান বাণিজ্যিক সঙ্গী।