NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo
বর্ণাঢ্য আয়োজন

সিটি মেয়রের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডে প্যারেডে  হাজারো প্রবাসীর অংশগ্রহণ


সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম

সিটি মেয়রের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডে প্যারেডে  হাজারো প্রবাসীর অংশগ্রহণ

 জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠলো এক খন্ড  বাংলাদেশ  নিউইয়র্ক (ইউএনএ): বর্ণাঢ্য আয়োজনে নিউইয়র্ক অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ ডে প্যারেড। প্যারেডে সিটি মেয়র এরিক অ্যাডাম আর অর্ধ ডজনাধিক জনপ্রতিনিধি সহ হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। ফলে জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠে এক খন্ড বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সোসাইটি রোববার (১৩ এপ্রিল) এই প্যারেডের আয়োজন করে। সহযোগিতায় ছিলো হিউম্যানিটি অ্যাম্পাওয়ারমেন্ট রাইটস। সোমবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ, পহেলা বৈশাখ। নিউইয়র্ক সহ উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশী কমিউনিটিতে শুরু হয়েছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। আর তাই নতুন বছর বরণের আমেজে রোববার দুপুরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ ডে প্যারেড। হাতে হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, মুখে মুখে দেশের গান, ঢাকা-ডোলের বাজনা আর বাঙালী শিল্প- সংস্কৃতির প্রতিকৃতি ধারণ করে পুরো বাংলাদেশকেই তুলে ধরা হয় বর্ণাঢ্য প্যারেডে।বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত প্যারেডের সহযোগিতায় ছিলো হিউম্যানিটি অ্যাম্পাওয়ারমেন্ট রাইটস। খবর ইউএনএ’র। প্যারেডে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র এরিক অ্যাডাম। এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ষ্টেট সিনেটর জন সি ল্যু, অ্যাসেম্বলীম্যান জোহরান মামদানী ও স্টেভেন রাগা, অ্যাসেম্বীওম্যান জেনিফার রাজকুমার, লারিন্ডা সি হুকস ও জেসিকা গঞ্জালেস রোজাস, নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক এডভোকেট জুম্মানী উইলিয়াম, কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ডনোভান রিচার্ড সহ আরো অনেক জনপ্রতিনিধি। প্যারেডে সর্বস্তরের হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটস হয়ে উঠে এক খন্ড বাংলাদেশ। সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত প্যারেডের কর্মসূচী থাকলের নির্ধারিত সময়ের আগ থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশীরা প্যারেড শুরুর স্থানে এসে সমবেত হতে থাকেন।ধমকা ঠান্ডা হাওয়া উপেক্ষা করে সর্বস্তরের প্রবাসীরা রং বে রং-এর পোশাক পড়ে, বাংলাদেশের জাতীয়  পতাকা হতে নিজ নিজ সংগঠনের ব্যানার নিয়ে অনুষ্ঠান স্থলে পৌছেন। বেলা ১১টার দিকে প্যারেড শুরুর স্থল কানানায় কানায় ভরে যায়। এরই মধ্যে সিটি ও ষ্টেট প্রশাসনের জনপ্রতিনিধিরা এসে সমবেত হন এবং ট্রাকের ভাসমান মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। মেয়র এরিক অ্যাডামস সাড়ে ১১টার দিকে অনুষ্ঠান স্থলে এসে আয়েজকদের সাথে পরিচিতির পর শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। প্যারেডে মেয়র এরিক অ্যাডাম সহ অতিথি বক্তারা তাদের বক্তব্যে বাংলাদেশী কমিউনিটির ভ‚য়সী প্রশংসা করেন।

এছাড়াও প্যারেড অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রতিনিধি কনস্যুলার ইশরাত জাহান, মেয়র অফিসের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা মীর বাসার, ঠিকানা গ্রæপের চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি এম এম শাহীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এদিকে প্যারেড শুরুর প্রক্কালে চীফ মার্শাল লায়ন শাহ নেওয়াজ, প্রধান উপদেষ্টা গিয়াস আহমেদ সহ অন্যান্য মার্শাল যথাক্রমে আজিমুর রহমান বুরহান, আব্দুল হাসিম হাসনু, শাহাজাদী পারভীন সারা, নূরুল আজীম, আতোয়ার রহমান, শাহ জে চৌধুরী, রানো নেওয়াজ সহ অতিথিদের ব্যাজ পড়িয়ে দেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি ও প্যারেড কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সেলিম, সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও প্যারেড কমিটির কনভেনর মোহাম্মদ আলী এবং হিউম্যানিটি অ্যাম্পাওয়ারমেন্ট রাইটস-এর প্রেসিডেন্ট ও প্যারেড কমিটির সদস্য সচিব ফাহাদ সোলায়মানবাংলাদেশের বিশালাকার জাতীয় পতাকা সামনে নিয়ে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের চৌকশ বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে প্যারেডটি শুরু হয়। মেয়র এরিক অ্যাডামস বাংলাদেশের পতাকা হাতে নিয়ে প্যারেডের নেতৃত্ব দেন। এরপর সিটির বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশী- আমেরিকানদের বিভিন্ন সংগঠন সহ অর্ধ শতাধিক বাংলাদেশী সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে একে একে হাজার হাজার বাংলাদেশী ও আমেরিকানরা প্যারেডে অংশ নেন। এতে ৬৫টি সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে প্রবাসী বাংলাদেশী অংশ নেন বলে মোহাম্মদ আলী জানান। এছাড়াও বাংলাদেশের চিত্র নায়ক জায়েদ খান সহ দেশের শিল্পী ও সাংস্কৃতিক জগতের একাধিক তারকা প্যারেডে অংশ নেন।প্যারেডটি জ্যাকসন হাইটসের ৩৭ এভিনিউ ও ৬৯ স্ট্রীট সংলগ্ন পার্কিং লট থেকে শুরু করে ৩৭ এভিনিউ ধরে এগিয়ে গিয়ে ৮৭ স্ট্রীটে গিয়ে শেষ হয়। এরপর দেশের জনপ্রিয় শিল্পীদের সঙ্গীত আর নৃত্য পরিবেশনের মধ্য দিয়ে প্যারেডের সমাপ্তি ঘটে।  নিউইয়র্ক সিটির পুলিশ বিভাগের ব্যান্ড দলের তালে তালে এনওয়াইপিডি, ফায়ার ডিপার্টমেন্ট ও ইউএস আর্মী এবং বাংলাদেশ সোসাইটি সহ প্যারেডে অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিলো বাংলাদেশী-আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন (বাপা), বাংলাদেশী-আমেরিকান বলডেস্ট এসোসিয়েশন (বিএবিএ), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ, নিউইযর্ক- বাংলাদেশী-আমেরিকান লায়ন্স ক্লাব, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটি, বাংলাদেশী-আমেরিকানসোসাইটি, প্রবাসী মতলব সমিতি ইউএসএ, এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি

বাংলাদেশী- আমেরিকান কালচারাল এসোসিয়েশন (বিএসিএ), সেফেস্ট, মানিকগঞ্জ সমিতি অব নর্থ আমেরিকা, বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশন ইউএসএ, প্রবাসী সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন কমিটি, জালালাবাদ এসাসিয়েশন অব আমেরিকা, বাংলাদেশী-আমেরিকান পোস্টাল এ্যামপ্লয়ীজ এসোসিয়েশন ইউএসএ, হৃদয়ে নারয়নগঞ্জ ইনক, বৃহত্তর সিলেট গণদাবী পরিষদ, যুক্তরাষ্ট, বগুড়া সোসাইটি ইউএসএ, পাবনা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, স্বপ্ন ফাউন্ডেশন, প্রবাসী নরসিংদী ডিষ্ট্রিক্ট সোসাইটি ইউএসএ, ইউএসএ ৯৭ ও ৯৯ এসএসসি এবং এইচএসসি ব্যাচ, সাউথ জ্যামাইকা বাংলাদেশী কমিউনিটি, জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন (জেবিবিএ), গোল্ডন এজ হোম কেয়ার, ঠিকানা গ্রæপ প্রভৃতি। প্যারেডে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি. ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি.....’, ‘পূর্ব দিগন্ত সূর্য উঠেছে রক্ত লাল...’, ‘এলোরে পহেলা বৈশাখ’, প্রভৃতি গান পরিবেশন করেন।