NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

সহযোগিতার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও শিল্পের রূপান্তরকে উৎসাহিত করাতে হবে: সি


আন্তর্জাতিক : প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০১:২৮ পিএম

সহযোগিতার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও শিল্পের রূপান্তরকে উৎসাহিত করাতে হবে: সি

 

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গতকাল (বুধবার) জলবায়ু এবং ন্যায়সঙ্গত পরিবর্তন বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনে ভিডিও ভাষণ দিয়েছেন।

ভাষণে সি চিন পিং বলেন, ‘এ বছর প্যারিস চুক্তির দশম বার্ষিকী এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ৮০তম বার্ষিকী। কিছু প্রধান দেশ একতরফাবাদ ও সুরক্ষাবাদের প্রতি আগ্রহী, যা আন্তর্জাতিক নিয়ম ও আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার উপর গুরুতর প্রভাব ফেলেছে। তবে, ইতিহাস সর্বদা বাঁক ও মোড় নিয়ে এগিয়ে যায়। যতক্ষণ আমাদের দৃঢ় আত্মবিশ্বাস থাকবে এবং ঐক্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে, ততক্ষণ আমরা প্রতিকূল পরিস্থিতি অতিক্রম করতে সক্ষম হব এবং বিশ্বব্যাপী জলবায়ু শাসন এবং বিশ্বের সব প্রগতিশীল কারণগুলোর স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।”


সি চিন পিং চারটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রথমত, বহুপাক্ষিকতা মেনে চলতে হবে। সবাইকে দৃঢ়ভাবে জাতিসংঘের মূল আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক আইনের উপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা এবং আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারকে দৃঢ়ভাবে সমুন্নত রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও গভীর করতে হবে। সবার উচিত উন্মুক্তকরণ ও সহনশীলতার মাধ্যমে বাধা ও দ্বন্দ্ব মোকাবিলা করা; সহযোগিতার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও শিল্পের রূপান্তরে উত্সাহিত করা এবং উচ্চমানের সবুজ প্রযুক্তি ও পণ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা। যাতে সব দেশ, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলো তা ব্যবহার করতে পারে, বহন করতে পারে এবং ভালভাবে কাজে লাগাতে পারে। তৃতীয়ত, একটি ন্যায্য পরিবর্তন প্রচার করতে হবে। জনগণকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় তাদের জীবিকা ও জলবায়ু শাসনের উন্নতির সমন্বয় সাধন করতে হবে এবং পরিবেশ রক্ষা, অর্থনীতির উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য দূরীকরণের মতো একাধিক লক্ষ্যের সমন্বয় সাধন করতে হবে। চতুর্থত, বাস্তব পদক্ষেপগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জ্বালানি রূপান্তরের সমন্বিত উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে জাতীয় স্বাধীন অবদানের জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের জন্য সব পক্ষের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করা উচিৎ।

সূত্র : রুবি-তৌহিদ-সুবর্ণা, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।