NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

মার্কিন-চীন সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : ফোনালাপে ট্রাম্প


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০৩:৪৬ এএম

মার্কিন-চীন সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : ফোনালাপে ট্রাম্প

৫ জুন, বৃহস্পতিবার রাতে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোনালাপ করেছেন।

ফোনালাপে সি বলেন, চীন-মার্কিন সম্পর্কের জাহাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে আমাদের দিক নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, বিশেষ করে বিভিন্ন হস্তক্ষেপ ও প্রতিবন্ধকতা নির্মূল করতে হবে। মার্কিন পক্ষের প্রস্তাবে জেনিভায় দু’দেশের আর্থ-বাণিজ্যিক আলোচনার প্রতিনিধিরা বৈঠক করেছেন এবং সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে আর্থ-বাণিজ্যিক সমস্যা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন। এটি দু’দেশের বিভিন্ন মহল ও আন্তর্জাতিক সমাজের স্বাগত জানিয়েছে, যা থেকে বোঝা যায় সংলাপ ও সহযোগিতাই একমাত্র সঠিক সিদ্ধান্ত।

দু’পক্ষের উচিত নির্ধারিত আর্থ-বাণিজ্যিক পরামর্শ ব্যবস্থা নিয়ে সমতার ভিত্তিতে পরস্পরের উদ্বেগকে সম্মান করা এবং ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনে চেষ্টা করা। এ ব্যাপারে চীনের আন্তরিকতা ও নীতিমালা রয়েছে। চীনারা সবসময় কথা মতো কাজ করে এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। মতৈক্যে পৌঁছালে দু’পক্ষের তা মেনে চলা দরকার। জেনিভা বৈঠকের পর চীন গুরুত্বের সাথে সংশ্লিষ্ট চুক্তি বাস্তবায়ন করছে। মার্কিন পক্ষের উচিত বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট অগ্রগতি বিবেচনা করা এবং চীনের বিরুদ্ধে নেওয়া নেতিবাচক পদক্ষেপগুলো বাতিল করা। 


দু’পক্ষের উচিত কূটনৈতিক,আর্থ-বাণিজ্যিক, 
সামরিক ও আইন প্রণয়নকারীসহ বিভিন্ন খাতে আদান-প্রদান জোরদার করা, যাতে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়। সি জোর দিয়ে বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবধানে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, যাতে কিছু ‘তাইওয়ান বিচ্ছিন্নতাকারী’ চীন-মার্কিন সম্পর্ককে সংঘর্ষ ও সংঘাতে টেনে নিয়ে যেতে না পারে।
ট্রাম্প জবাবে বলেছেন, তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি-কে সম্মান করেন এবং মার্কিন-চীন সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীনের অর্থনীতির শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির প্রতি ওয়াশিংটন আশাবাদী। দু’দেশের সহযোগিতায় আরও অনেক ভালো কাজ করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্র অব্যাহতভাবে একচীন নীতি অনুসরণ করবে। জেনিভায় দু’দেশের আর্থ-বাণিজ্যিক বৈঠক সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে এবং কার্যকর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনের সাথে চুক্তির বাস্তবায়নে চেষ্টা করবে যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনা শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনায় তাঁর দেশ স্বাগত জানায়।

সি ট্রাম্পকে চীন সফরে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ট্রাম্প সি-কে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। দুই নেতাই একমত হয়েছেন যে, জেনিভার মতৈক্যের ভিত্তিতে যত দ্রুত সম্ভব নতুন দফার বৈঠকের আয়োজন করা।

সূত্র : সুবর্ণা-তৌহিদ-রুবি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।