জামিল সারোয়ার প্রকাশিত: ০৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম

গত ২রা আগস্ট লং আইল্যান্ডের হেকসার স্টেট পার্কে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশ থেকে ১৯৯৭ সালে এসএসসি এবং ১৯৯৯ সালে এইচএসসি পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে সপ্তম বারের মতো "ইউ এস এ ৯৭-৯৯ পিকনিক ২০২৫"। পিকনিকে অংশগ্রহণকারী ইউএস এ ৯৭-৯৯ সদস্যদের পরিবার, নারী, শিশু ও পুরুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, লটারি ড্র এবং ভোজন পর্বের নানা আয়োজনে এই পিকনিক ২০২৫ উৎসবের আমেজ তৈরি করে।
এবারে পিকনিকে দের শতাধিক বন্ধুবান্ধব এবং তাদের পরিবার পরিজন উপস্থিত ছিলেন। ইউ এস এ ৯৭-৯৯ সংগঠনটির এডমিন জামিল সরোয়ারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। শুরুতে এনওয়াইপিডি ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলামের স্মরণে দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন এইচআরএ ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর মোঃ জোহেব চৌধুরী।
ইউএসএ ৯৭-এর পক্ষ থেকে কমিউনিটিতে অবদান রাখার জন্য হোম কেয়ার এবং সোশ্যাল ডে কেয়ারের সিইও আকাশ রহমান, এশা রহমান, মোঃ জোহেব চৌধুরী এবং মোঃ আব্দুল জলিলকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। গ্রুপটির এডমিন জামিল সরোয়ার বলেন, তারা গ্রুপের শুরু থেকেই যেভাবে নতুন বন্ধুদের চাকরির তথ্য সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছেন সদস্যদের প্রয়োজন অনুযায়ী, সেভাবেই তারা তা অব্যাহত রাখবেন আগামী দিনগুলোতে এবং সবার সাথে সুহৃদপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আশা করেন। নানারকম খাবারে এবং বিভিন্ন রকম খেলাধুলায় পুরো অনুষ্ঠানজুড়েই ছিল দেশীয় আমেজ।
সংগঠনটির "পিকনিক ২০২৫"-এ যোগদান করার জন্য আমেরিকার বিভিন্ন স্টেট থেকে সংগঠনটির সদস্যরা তাদের পরিবার নিয়ে আসেন। আগত সকলের মধ্যে ছিল সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মেলবন্ধন। ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ ফেসবুক ভিত্তিক গড়ে ওঠা সংগঠন ইউ এস এ ৯৭-৯৯-এর এডমিন সামস শাহরিয়ার তার বক্তব্যে আলোকপাত করে গ্রুপটির বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড যেগুলো তারা করে থাকে যেমন তারা নতুন বন্ধুদের চাকরির সহযোগিতা, বিভিন্ন ধরনের গ্রুপ ভিত্তিক অনুষ্ঠান করে থাকেন, এছাড়াও বাংলাদেশে এবং প্রবাসে যখন বন্ধুরা যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাদের আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা দরকার হয় তখন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তাছাড়া শীত বস্ত্র প্রদান করেন
বাংলাদেশে এগুলো তুলে ধরেন তার বক্তব্যের মাধ্যমে। দশজন সদস্য নিয়ে গড়ে ওঠা সংগঠনটি এখন ইউএসএ-এর বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক সদস্য নিয়ে পরিপূর্ণতা লাভ করছে। পিকনিকটি সকাল এগারোটা থেকে শুরু হলেও সময় গড়িয়ে রাত একটা পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি হয় এতে সংগীত পরিবেশন করেন প্রবাসের জনপ্রিয় সঙ্গীত কণ্ঠ শিল্পী আফতাব জনি, খন্দকার সোহাগ।