NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

টাকা ও ধন-সম্পদ লুট করতেই চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা


মোহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪১ পিএম

টাকা ও ধন-সম্পদ লুট করতেই চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা

টাকা ও ধন-সম্পদ লুট করতেই আলমডাঙ্গায় বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার ঘটনার পাঁচদিন পর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যদের হাতে গ্রেফতার চারজন এমন তথ্যই দিয়েছেন।

পর বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন আলমডাঙ্গার কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর গ্রামের বজলু রহমানের ছেলে সাহাবুল (২৪), একই গ্রামের মাসুদ আলীর ছেলে বিদ্যুৎ (২৩), পিন্টু রহমানের ছেলে রাজিব (২৫) ও তাজউদ্দীনের ছেলে শাকিল হোসেন (২১)।

গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে আলমডাঙ্গার পুরাতন বাজারের অর্পিত সম্পত্তির বাড়িতে ব্যবসায়ী নজির উদ্দিন ও তার স্ত্রী ফরিদা বেগমকে নির্মমভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এর আগে নজির উদ্দিন ধান-চালের পাশাপাশি বালুর ব্যবসা শুরু করেছিলেন। এজন্য তিনি একটি ট্রলিও কেনেন। সাহাবুল নামে এক যুবক সেই ট্রলিতে বালু আনা-নেওয়া করতেন। তিনিই টাকা ও সম্পদের জন্য নজির ও তার স্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা মতো ঘটনার দিন সাহাবুল তার সহযোগী বিদ্যুৎ ও রাজিবকে নিয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নজির উদ্দিনের বাড়ির সামনে হাজির হন। বালু কেনার কথা শুনে এবং সাহাবুলকে চিনতে পেরে নজির উদ্দিন বাড়ির দরজা খুলে দেন। তারা বাড়িতে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে খুন করে নগদ টাকা ও দু’টি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যান। পরে ওই ফোন দু’টিকে জাল হিসেবে ব্যবহার করে পুলিশ। পাঁচদিন ধরে মোবাইল ফোন দু’টি বন্ধ পাওয়া যায়। ফোন খোলার অপেক্ষা করতে থাকে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত থেকে দু’টি ফোনের মধ্যে একটি খোলা পায় পুলিশ। লোকেশন ধরে পুলিশ মোবাইল ফোনের কাছে চলে যায়। পুলিশের পাতা ফাঁদে প্রথম আটকা পড়েন বিদ্যুৎ। এরপর একে একে আটক করা হয় সাহাবুল রাজিব ও শাকিলকে।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেফতার রাজিবের কাছ থেকে ৩৫ হাজার, বিদ্যুতের কাছ থেকে আট হাজার, নিহতদের মোবাইল ফোন, ব্যাগ ও আসামিদের রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করা হয়।