NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

মোজাম্বিক-চীন সম্পর্ক ৫০ বছরে, বন্ধুত্বের প্রতীক মাপুতো সেতু


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩১ পিএম

মোজাম্বিক-চীন সম্পর্ক ৫০ বছরে, বন্ধুত্বের প্রতীক মাপুতো সেতু

মোজাম্বিকের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল চ্যাপো গত ১৫ আগস্ট রাজধানী মাপুতোতে চায়না মিডিয়া গ্রুপকে (সিএমজি) একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

১৫ অগাস্ট ছিল "দুই পর্বত" ধারণার ২০তম বার্ষিকী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছ জলরাশি এবং সবুজ পাহাড়ই হলো অমূল্য সম্পদ’—প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের এই উক্তি তাঁর গভীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং দূরদর্শিতার প্রতিফলন ঘটায়। সাতবার চীন সফর করার পর, তিনি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জনের পদ্ধতির মতো চীনের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা থেকে সক্রিয়ভাবে শেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকারে ড্যানিয়েল চ্যাপো বলেন, মোজাম্বিক ও চীন এবং দুই দেশের জনগণ ভাইয়ের মতো ঘনিষ্ঠ। এই বছর মোজাম্বিকের স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকী, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকীকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
তিনি বলেন, মাপুতো সেতু আফ্রিকার বৃহত্তম ঝুলন্ত সেতু। "আমাদের কাছে, এটি মোজাম্বিক এবং চীনের মধ্যে অর্ধ শতাব্দীর বন্ধুত্বের সাক্ষী, গত ৫০ বছরে দুই দেশের ব্যাপক সহযোগিতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং চীন ও আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। আমরা আরও এ ধরনের প্রকল্প নির্মাণ চালিয়ে যেতে চাই।"

প্রেসিডেন্ট চ্যাপো বলেন, মোজাম্বিক এবং চীনের উচিত অবকাঠামো নির্মাণ এবং কৃষি উন্নয়নে উচ্চমানের সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায় উন্মোচন করা, যা কেবল গত ৫০ বছরের অর্জনকেই নয়, বরং দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ উদযাপনের সময়ও বিস্তৃত হবে।
তিনি আরও বলেন, "এই সুযোগে আমি চীনে 'দুই পর্বত' ধারণার সফল বাস্তবায়নের জন্য অভিনন্দন জানাতে চাই। আমি প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সম্পূর্ণ একমত। আমি বিশ্বাস করি, 'দুই পর্বত' ধারণাটি ভবিষ্যতের পথকে আলোকিত করে চলবে। আমাদের এবং বিশ্বের সকল দেশের এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে প্রকৃতিকে রক্ষা করা উচিত।"

প্রেসিডেন্ট চ্যাপো বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের প্রস্তাবিত আফ্রিকা নীতিগুলো আগামী বছরগুলোতে আফ্রিকার উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি জটিল এবং যুদ্ধ-সংঘাতময়। প্রেসিডেন্ট সি’র প্রস্তাবিত এই উদ্যোগগুলোর স্পষ্ট তাৎপর্য রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো দেশ একা প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না এবং সকল দেশকে সহযোগিতা করতে হবে। বিশ্বব্যাপী প্রভাবশালী নেতা হিসেবে, প্রেসিডেন্ট সি’র প্রস্তাবিত উদ্যোগগুলো আমাদের মনোযোগ এবং যৌথ প্রচেষ্টার দাবি রাখে।

সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-আকাশ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।