NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

জাতিসংঘকে ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ বললেন লি ছিয়াং


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

জাতিসংঘকে ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ বললেন লি ছিয়াং

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাত্কালে লি ছিয়াং বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সম্প্রতি শাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) থিয়েনচিন শীর্ষ সম্মেলনের সময় বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগ তুলে ধরেছেন, যা বৈশ্বিক শাসনকে শক্তিশালী ও উন্নত করার জন্য চীনা জ্ঞান এবং চীনা সমাধান প্রদান করে। মহাসচিবকে শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং প্রেসিডেন্ট সি আপনার সাথে গভীর আলোচনা করেছেন। চীন জাতিসংঘ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সাথে যোগাযোগ এবং সমন্বয় জোরদার করতে, বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে, আরও ন্যায়সঙ্গত ও উপযুক্ত বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এবং বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নের প্রচারে আরও বেশি অবদান রাখতে ইচ্ছুক।

লি ছিয়াং বলেন, গত ৮০ বছরে, জাতিসংঘ শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন প্রচার এবং মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। চীন বরাবরের মতো, দৃঢ়ভাবে জাতিসংঘের মর্যাদা ও কর্তৃত্বকে সমুন্নত রাখবে এবং সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদার করতে এবং কার্যকর পদক্ষেপের সমন্বয় সাধন করতে জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে সকল দেশকে উৎসাহিত করবে। বর্তমানে, কিছু একতরফাবাদী এবং সুরক্ষাবাদী পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতিতে আঘাত হানছে এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের জন্য ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে মারাত্মকভাবে বাধা সৃষ্টি করছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে গ্লোবাল সাউথের উচিত ন্যায়বিচারের জন্য আরও জোরালো আওয়াজ তোলা, যৌথভাবে বলদর্পী আচরণের বিরোধিতা করা এবং সকল দেশের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করা। চীন সর্বদা বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের সাথে তার নিজস্ব উন্নয়নকে ঘনিষ্ঠভাবে একীভূত করেছে এবং উচ্চ-স্তরের উন্মুক্তকরণ, অন্যান্য দেশের সাথে উন্নয়নের সুযোগ ভাগাভাগি করে নেওয়া এবং বিশ্ব অর্থনীতির জন্য স্থিতিশীলকারী ও চালিকা শক্তির ভূমিকা পালন করে যাবে। আমরা আশা করি যে, জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশাসন এবং অন্যান্য ক্ষেত্র মোকাবেলায় আরও বৃহত্তর ভূমিকা পালন করবে এবং বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বৃহত্তর ক্ষেত্রে সমন্বয় করবে।

জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট সি’র গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ভাষণের জন্য আন্তোনিস গুতেরেসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। প্রেসিডেন্ট সি’র প্রস্তাবিত বৈশ্বিক শাসন উদ্যোগের বিষয়বস্তু সমৃদ্ধ, এবং এর মূল ধারণাগুলো জাতিসংঘের অটল প্রতিশ্রুতির সাথে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি বিশ্বব্যাপী শাসন ব্যবস্থার সংস্কার ও উন্নতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জোরালো আহ্বানের কার্যকরভাবে সাড়া দেয়। চীন জাতিসংঘ এবং বহুপাক্ষিকতার একটি শক্তিশালী স্তম্ভ। জাতিসংঘ চীনের সাথে সহযোগিতা জোরদার করা, বহুপাক্ষিকতাকে দৃঢ়ভাবে রক্ষা করা, জাতিসংঘ সনদ এবং আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারকে সমুন্নত রাখা, বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের প্রচার করা, বিশ্বব্যাপী শাসন ব্যবস্থার সংস্কারকে এগিয়ে নেওয়া, বহুপাক্ষিক ব্যবস্থায় গ্লোবাল সাউথের প্রতিনিধিত্ব সম্প্রসারণ করা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাধারণ স্বার্থকে আরও ভালভাবে সুরক্ষিত করার জন্য উন্মুখ।

সূত্র:লিলি-হাশিম-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।