NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তোয়াব খান


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তোয়াব খান

 

 

 

facebook sharing button

messenger sharing button




 

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তোয়াব খান

একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খানকে (৮৭) রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। কয়েক দফায় জানাজা শেষে আগামী সোমবার তাকে দাফন করা হবে।  

 

তোয়াব খানের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টায় তোয়াব খানের মরদেহ তেজগাঁওয়ে নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা কার্যালয়ে নেওয়ার পর সেখানে প্রথম জানাজা হবে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কফিন রাখা হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যবস্থাপনায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। 

তোয়াব খানের মরদেহ সোমবার বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবে রাখা হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে মরদেহ নেওয়া হবে গুলশানের নিজ বাসভবনে।

বাদ আছর গুলশান আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এ সাংবাদিককে দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে কলম হাতে নেন তোয়াব খান। এর দুবছর পর যোগ দেন দৈনিক সংবাদে।  ১৯৬৪ সালে যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে। 

দেশ স্বাধীনের পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে নাম বদলে দৈনিক বাংলা রাখা হয়।  আর সেই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক হন তিনি। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন। 

১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন তোয়াব খান। প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ২০২১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এ বরেণ্য সাংবাদিক।

এর পর নতুন আঙ্গিকে ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন।  ২০১৬ সালে একুশে পদক লাভ করেন তোয়াব খান।