NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

চীন উন্মুক্ত মনোভাব নিয়ে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও সহযোগিতা জোরদার করবে


শুয়েই ফেই ফেই,বেইজিং: প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম

চীন উন্মুক্ত মনোভাব নিয়ে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও সহযোগিতা জোরদার করবে

 

৩০ সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে গণ-মহাভবনে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি খ্য ছিয়াং ২০২২ সালে চীন সরকারের মৈত্রী পুরস্কার বিজয়ী বিদেশি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। চীনের উপ প্রধানমন্ত্রী হান চেং এতে উপস্থিত ছিলেন।

লি খ্য ছিয়াং বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং চীনের সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ, দেশ-বিদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময়ে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি চীনে কর্মরত সব বিদেশি বিশেষজ্ঞ এবং আত্মীয় ও চীনের উন্নয়নে অবদান রাখা আন্তর্জাতিক বন্ধুদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। 

লি খ্য ছিয়াং বলেন, চীন এখন বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়নশীল দেশ। আধুনিকায়ন বাস্তবায়ন হতে অনেক সময় লাগবে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যাই হোক, চীন নিজের কাজ করবে এবং চীনা জনগণের ভালো জীবনের জন্য চেষ্টা করবে।

তিনি আরো বলেন, সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের কল্যাণে চীনের দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। চীন ভবিষ্যতে দৃঢ়ভাবে সংস্কার সম্প্রসারণ করবে, উন্মুক্তকরণ জোরদার করবে। চীন বাজারায়ন, আইনানুগ এবং আন্তর্জাতিকায়নের ব্যবসার পরিবেশ সৃষ্টি করবে। চীন আরো উন্মুক্ত মনোভাব নিয়ে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও সহযোগিতা জোরদার করবে। 

লি খ্য ছিয়াং আরও বলেন, বিদেশি বিশেষজ্ঞ হলো ‘মৈত্রীর দূত’ এবং চীন ও বিশ্বের সংযোগকারী সেতু। চীন বিভিন্ন দেশের মানুষকে চীনে কাজ করার সুবিধা ও শ্রেষ্ঠ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবে। বৈজ্ঞানিক পরিবেশ, উদ্ভাবন মঞ্চসহ বিভিন্ন খাতে আরো বেশি সমর্থন দেবে। আধুনিক চীন নির্মাণে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে স্বাগত জানায় চীন।

সাক্ষাতের পর বিদেশি বিশেষজ্ঞরা গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ৭৩তম বার্ষিকীর অভ্যর্থনা সভায় যোগ দেন।সূত্র : সিএমজি।