NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

‘আরসিইপি’ ও ‘সিপিটিপিপি’-অবাধ বাণিজ্যের ভবিষ্যতের পথ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম

‘আরসিইপি’ ও ‘সিপিটিপিপি’-অবাধ বাণিজ্যের ভবিষ্যতের পথ

১লা নভেম্বর,এপেক নেতাদের ৩২তম অনানুষ্ঠানিক সম্মেলন দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ংজুতে শুরু হয়েছে। এপেক সচিবালয়ের নির্বাহী পরিচালক এডুয়ার্ডো পেড্রোসা এ উপলক্ষ্যে সিএমজিকে একটি  বিশেষ সাক্ষাত্কার দিয়েছেন। 

সাক্ষাৎকারে পেড্রোসা বলেন যে, এপেকের প্রচেষ্টার দিকটি ভবিষ্যতের দিকে নিবদ্ধ। এর লক্ষ্য হলো একটি উন্মুক্ত, প্রাণবন্ত, সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গড়ে তোলা। এ জন্য ‘এপেক পুত্রজায়া ভিশন ২০৪০’ প্রণয়ন করা হয়েছে, যার লক্ষ্য একটি উন্মুক্ত, প্রাণবন্ত, সহনশীল ও শান্তিপূর্ণ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গড়ে তোলা। তাই এপেকের কাজ অত্যন্ত দূরদর্শী, এবং কীভাবে এই লক্ষ্য অর্জন করা যায় তা নির্ভর করে বিভিন্ন অর্থনীতির উপর।

তিনি এপেকে চীনের অবদানের উচ্চ প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, চীন এপেকে যোগদানের পর থেকে সবসময় অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে। বর্তমানে চীন একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছে, যেখানে নজর দেয়া কীভাবে এই অঞ্চল এবং এমনকি বিশ্বব্যাপী উচ্চতর সমৃদ্ধি অর্জন করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, ২০১৪ সালে চীন যখন এপেক সম্মেলনের আয়োজন করেছিল, তখন ‘এপেক এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অবাধ বাণিজ্য অঞ্চল বাস্তবায়নের রোডম্যাপ’ প্রস্তাব করা হয়েছিল, এবং একই সময়ে আন্তঃসংযোগ পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছিল। এই আন্তঃসংযোগ ব্লুপ্রিন্ট এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি অর্থনৈতিক বিশ্বায়ন ও উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণ সম্পর্কে তাঁর চীনা প্রস্তাবেরও প্রশংসা করেন, এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে তাঁর প্রস্তাবিত অবস্থানগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ, উন্মুক্ততা ও একীকরণ সম্পর্কিত, এবং একটি উন্মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতিতে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমর্থনকারী ভূমিকা সম্পর্কিত।

পেড্রোসা বলেন যে, এশিয়া-প্যাসিফিক অবাধ বাণিজ্য অঞ্চল গঠন প্রাথমিকভাবে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তির প্রতিক্রিয়া হিসেবে শুরু হয়েছিল। আজ পর্যন্ত, এশিয়া-প্যাসিফিক অবাধ বাণিজ্য অঞ্চল ইতোমধ্যেই তার নিজস্ব জীবনরেখা গঠন করেছে এবং এপেকের মিশনের কেন্দ্রীয় বিষয় হয়ে উঠেছে। আমরা বিদ্যমান পথ যেমন ‘আরসিইপি’, ‘সিপিটিপিপি’ এবং অন্যান্য কাঠামোগত ব্যবস্থার মাধ্যমে আশা করি যে, শেষ পর্যন্ত এশিয়া-প্যাসিফিক অবাধ বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। এখন আমাদের যা করতে হবে তা হল, নিশ্চিত করা যে এই চুক্তিগুলো সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে থাকবে। 

সূত্র:স্বর্ণা-হাশিম-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।