NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

‘আমাকে ধরতে আসুন’ মাদুরোর মতোই ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করলেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম

‘আমাকে ধরতে আসুন’ মাদুরোর মতোই ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ করলেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

 ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে পেত্রো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে তাকেও আটক করতে আসতে পারে। এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো বলেন, “আমাকে ধরতে আসুন। আমি এখানেই আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।” ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বাহিনীর অভিযানকে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের শামিল উল্লেখ করে তিনি এই মন্তব্য করেন।   পেত্রো সতর্ক করে বলেন, “তারা যদি বোমা হামলা চালায়, তাহলে কৃষকরা পাহাড়ে হাজার হাজার গেরিলায় পরিণত হবেন। আর দেশের বড় একটি অংশ যাকে ভালোবাসে ও সম্মান করে—সেই প্রেসিডেন্টকে যদি আটক করা হয়, তাহলে জনগণের ‘বাঘ’কে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।”  ১৯৯০-এর দশকে সশস্ত্র আন্দোলন থেকে বেরিয়ে আসা পেত্রো একসময় বামপন্থী গেরিলা ছিলেন। তিনি বলেন, “আমি শপথ করেছিলাম আর কখনও অস্ত্র ধরব না। কিন্তু মাতৃভূমির জন্য প্রয়োজনে আবার অস্ত্র তুলতে প্রস্তুত।”  

ভেনেজুয়েলায় হামলার পর গত রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, কলম্বিয়া এমন একজন মানুষের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যিনি যুক্তরাষ্ট্রে মাদক সরবরাহ করছেন। এই মন্তব্যের পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।  ট্রাম্প বলেন, “কলম্বিয়া খুব অসুস্থ। এক অসুস্থ মানুষের হাতে পরিচালিত দেশ, যে কোকেন তৈরি ও যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি করতে পছন্দ করেন। তিনি এটা বেশি দিন করতে পারবেন না।” এমনকি কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো তার কাছে “ভালোই শোনায়”—এমন মন্তব্যও করেন যুক্তরাষ্ট্রের এই রিপাবলিকান নেতা।  অইদিনই এক বিবৃতিতে কলম্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটি সংলাপ, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্পর্কে হুমকি বা বলপ্রয়োগকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়।  গত অক্টোবরে অবৈধ মাদক বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গুস্তাভো পেত্রো ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, কলম্বিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কোকেন উৎপাদনকারী দেশ। লাতিন আমেরিকার পেরু, বলিভিয়া ও কলম্বিয়ায় মূলত কোকা গাছের চাষ হয়ে থাকে।  এর আগে গত আগস্টে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোও ট্রাম্পকে একই ধরনের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছিলেন, “আমাকে ধরতে আসুন। আমি মিরাফ্লোরেসে অপেক্ষা করব।”  রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হোয়াইট হাউস প্রকাশিত ৬১ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করার অভিযানের দৃশ্য দেখানো হয়। ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, “মাদুরোর একটি সুযোগ ছিল। এখন আর তা নেই। তিনি ঝামেলা বাধিয়েছেন, আর তার ফল পেয়েছেন।” ভিডিওটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।  ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে মাদক পাচার ও মাদক-সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতেই তাদের বিচার হবে বলে জানান তিনি।