NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

হিলিতে ভয়াবহ রেল ট্র্যাজেডি দিবস পালিত


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম

হিলিতে ভয়াবহ রেল ট্র্যাজেডি দিবস পালিত

এম আব্দুর রাজ্জাক,বগুড়া থেকে :

 অনেকে এখনো পায়নি ক্ষতিপূরণ  দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক ও ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনাগুলোর অন্যতম ‘হিলি রেল ট্র্যাজেডি দিবস’ আজ পালিত হয়েছে। হিলি রেলস্টেশন সংলগ্ন মসজিদে আজ (১৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার)  বাদ যোহর নিহতদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।  ৩১ বছর আগে ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারির এই দিনে হিলি রেলস্টেশনে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিন শতাধিক ট্রেনযাত্রী হতাহতের ঘটনা ঘটে। সেই মর্মান্তিক দিনের স্মৃতি এখনো ভুলতে পারেনি হিলিবাসী।  এ ঘটনার পরদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দিনাজপুরে এসে রেল দুর্ঘটনার স্থল পরিদর্শন করেন। রেল দুর্ঘটনার হতাহতদের খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের আর্থিক সহায়তা দেন।

 উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি (শুক্রবার) রাত সোয়া ৯টার দিকে গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেনটি হিলি রেলস্টেশনের ১ নম্বর লাইনে এসে দাঁড়ায়। এর কিছুক্ষণ পর সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি একই লাইনে ঢুকে পড়ে। ফলে ট্রেন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিকট শব্দে গোয়ালন্দ লোকাল ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে আন্তঃনগর ট্রেনের ওপর উঠে যায়।  ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হন এবং দুই শতাধিক যাত্রী আহত হন। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে ছিল। সরকারিভাবে দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২৭ জন এবং আহতের সংখ্যা শতাধিক বলে জানানো হয়।  হিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের সভাপতি মো: কামাল হোসেন বলেন, ‘হতাহতের অনেক এখনো আর্থিক সহায়তা পাননি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হতাহতদের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিলেও ওই তালিকার অনেকে এখনো পাননি। হতাহতদের স্মরণে স্থানীয় মসজিদে দোয়া খায়েরের আয়োজন করা হয়।’