NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

হিলিতে ভয়াবহ রেল ট্র্যাজেডি দিবস পালিত


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম

হিলিতে ভয়াবহ রেল ট্র্যাজেডি দিবস পালিত

এম আব্দুর রাজ্জাক,বগুড়া থেকে :

 অনেকে এখনো পায়নি ক্ষতিপূরণ  দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক ও ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনাগুলোর অন্যতম ‘হিলি রেল ট্র্যাজেডি দিবস’ আজ পালিত হয়েছে। হিলি রেলস্টেশন সংলগ্ন মসজিদে আজ (১৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার)  বাদ যোহর নিহতদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।  ৩১ বছর আগে ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারির এই দিনে হিলি রেলস্টেশনে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিন শতাধিক ট্রেনযাত্রী হতাহতের ঘটনা ঘটে। সেই মর্মান্তিক দিনের স্মৃতি এখনো ভুলতে পারেনি হিলিবাসী।  এ ঘটনার পরদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দিনাজপুরে এসে রেল দুর্ঘটনার স্থল পরিদর্শন করেন। রেল দুর্ঘটনার হতাহতদের খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের আর্থিক সহায়তা দেন।

 উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি (শুক্রবার) রাত সোয়া ৯টার দিকে গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেনটি হিলি রেলস্টেশনের ১ নম্বর লাইনে এসে দাঁড়ায়। এর কিছুক্ষণ পর সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি একই লাইনে ঢুকে পড়ে। ফলে ট্রেন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় বিকট শব্দে গোয়ালন্দ লোকাল ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে আন্তঃনগর ট্রেনের ওপর উঠে যায়।  ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হন এবং দুই শতাধিক যাত্রী আহত হন। নিহতদের অনেকের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে ছিল। সরকারিভাবে দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ২৭ জন এবং আহতের সংখ্যা শতাধিক বলে জানানো হয়।  হিলি রেলওয়ে একতা ক্লাবের সভাপতি মো: কামাল হোসেন বলেন, ‘হতাহতের অনেক এখনো আর্থিক সহায়তা পাননি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হতাহতদের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিলেও ওই তালিকার অনেকে এখনো পাননি। হতাহতদের স্মরণে স্থানীয় মসজিদে দোয়া খায়েরের আয়োজন করা হয়।’