আকবর হায়দার কিরণ প্রকাশিত: ০৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:২০ পিএম

সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সিলেটের সরকারি আলীয়া মাদ্রাসা ময়দানে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় তিনি সবার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ধানের শীষে পক্ষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। বলেন, বিগত ১৬ বছর দেশের মানুষ সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়ে ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশের’ অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে। এখন দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে কাজ করার ঘোষণা দেন তিনি। বিগত সময়ে বাংলাদেশকে অন্য দেশের কাছে বন্ধক দেয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বলেছি, দিল্লি নয়, পিন্ডি নয় সবার আগে বাংলাদেশ।
দুপুরে সিলেটের ঐতিহাসিক আলীয়া মাদ্রাসা ময়দানে বিএনপি আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম নির্বাচনী সমাবেশে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। সমাবেশে অংশ নেয়ার আগে ওলিকুল শিরোমনি হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহপরান (র.)-এর মাজার জিয়ারত করেন তারেক রহমান। অংশ নেন অরাজনৈতিক তরুণদের সঙ্গে আলোচনায়। সিলেটের সমাবেশের পর বিএনপি চেয়ারম্যান সড়কপথে মৌলভীবাজার যান এবং সেখানে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন। পরে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেন। ঢাকায় ফেরার পথে কিশোরগঞ্জের ভৈরব, নরসিংদীর পৌর পার্ক এবং নারায়ণগঞ্জের গাউছিয়া এলাকায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তিনি। সিলেটে বিএনপি’র সমাবেশে ঘিরে নগরীতে ছিল উৎসবের আমেজ।
সমাবেশ ঘিরে আলীয়া মাদ্রাসা মাঠের আশপাশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। লাখো মানুষ এই সমাবেশে যোগ দেন। ২০১২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাবেশের পর এটিই ছিল সিলেটের ইতিহাসের বড় সমাবেশ। বুধবার রাত থেকেই দূর-দূরান্তের নেতাকর্মীরা আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে এসে জমায়েত হন। রাতভর হাজার হাজার মানুষ মাঠে খোলা আকাশের নিচে ছিলেন। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে সকাল থেকে ভিড় বাড়ে নেতাকর্মীদের। মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন তারা। সকাল ১০টার মধ্যে কানায় কানায় ভরে উঠে আলীয়া মাদ্রাসা ময়দান। দুপুর পৌনে ১২টায় তারেক রহমান যখন মাদ্রাসার মাঠে আসেন তখন লোকারণ্য ছিল গোটা এলাকা। এয়ারপোর্ট এলাকার হোটেল থেকে আসতে সড়কে দু’পাশে দাঁড়িয়ে তাকে হাজার হাজার মানুষ অভিবাদন জানায়। অনেকেই হাতে ফুল নিয়েও দাঁড়িয়ে ছিলেন। কড়া নিরাপত্তায় প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকার জনস্রোত ঠেলে তারেক রহমানের গাড়িবহর মাদ্রাসা মাঠে এসে পৌঁছলে গোটা সমাবেশস্থল স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে।
সালাম দিয়ে ‘সিলেটবাসী বালা আছুইননি’ বলে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। বক্তৃতায় তিনি বলেন, দেশের ভেতরে কিছু মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। পোস্টাল ব্যালট নিয়ে ষড়যন্ত্র হয়েছে। ঠিক যেমনি ফ্যাসিস্টরা মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করেছিল তেমনি একইভাবে এবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে একটি কুচক্রী মহল। এই ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেতে হলে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি। বলেন, ২০২৪ সালে প্রমাণ হয়েছে দেশের মানুষ রাস্তায় নামলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। যারা এক বছর আগে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে তারা মানুষের টুঁটি চেপে ধরেছিল। বাকস্বাধীনতা হরণ করেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম, খুন করেছে। জেলে বন্দি করে রেখেছিল। কিন্তু তারপরও মানুষ মাথা নত করেনি। মানুষ তাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছে। অসংখ্য মানুষের প্রাণ ও রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে। ১৯৭১ সালে মানুষ যেভাবে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিল, ২০২৫ সালে মানুষ রাস্তায় নেমে স্বাধীনতা রক্ষা করেছে।
এ সময় তারেক রহমান সিলেটের গুম হওয়া বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী, ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনার ও জুনায়েদ আহমদকে স্মরণ করেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, তারা উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ লুট করেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। আগে সিলেট থেকে ঢাকা আসা যেতো ৪-৫ ঘণ্টায়। তথাকথিত উন্নয়নের ফলে এখন ১০ ঘণ্টা লাগে। এই সময়ে সিলেটের মানুষজন লন্ডন চলে যেতে পারে। গত তিনটি নির্বাচনের সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, গত ১৫ বছরে আমরা দেখেছি ভোটের নামে ব্যালেট ডাকাতি হয়েছে। নিশি-রাতের নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। আমরা এসব অবস্থার পরিবর্তন করতে চাই। আমরা দেশের কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে চাই। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করলে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে পারবো। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে খাল খনন শুরু করেছিলেন। আমরা বিজয়ী হলে আবার খাল খনন শুরু করবো।
সমাবেশে আগামী বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরেন তারেক রহমান। বলেন, আমাদের দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। আমরা তাদের সাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সকল পরিবারকে ফ্যামেলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। এই ফ্যামেলি কার্ডকে বাস্তবায়ন করতে, কৃষি কার্ড বাস্তবায়ন করতে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। আমরা শিক্ষিত নারীদের অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করতে চাই। বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতে চাই। আমরা কাউকে বেকার রাখতে চাই না। সিলেটের বিদেশগামী তরুণদের ট্রেনিং ও ভাষা শিক্ষা দিয়ে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দক্ষ মানুষদের আমরা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে চাই। তিনি দেশপ্রেমের কথা তুলে ধরে বলেন, গত ১৫-১৬ বছর এই দেশকে অন্য দেশের কাছে বন্ধক দিয়ে দিয়েছিল। সেজন্য আমি বলেছি- ‘দিল্লি নয় পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ’। আমি আরও বলেছিলাম, ‘টেইক ব্যাক বাংলাদেশ’। সেই পথের আমরা অর্ধেক পেরিয়ে এসেছি। স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি। এখন বাকি অর্ধেকটা পেরোতে হবে। ভোটাধিকারসহ মানুষের অধিকার আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশকে নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত করেছি। এখন ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশকে গড়ে তুলতে হবে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে হবে। এজন্যই আরেকটা কথা বলি, ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
সমাবেশে কোনো দলের কথা উল্লেখ না করে তারেক রহমান বলেন, একটি দল বলছে, সব দেখছেন, এবার তাদের দেখেন। দেশের মানুষ ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকা দেখেছে। তাদের কারণে দেশের লাখ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে। তাদের তো মানুষ দেখেই ফেলেছে। সে জন্যই বলিÑ দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়। সমাবেশ মাঠ থেকে হজ করে আসা সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জের এক কর্মীকে মঞ্চে তুলে নিয়ে তারেক রহমান বলেন, বেহেশত ও দোজখের মালিক আল্লাহ। যেটার মালিক আল্লাহ সেটা অন্য কেউ দেয়ার ক্ষমতা রাখে না। যারা বিভিন্ন টিকিট দিচ্ছে, যেটার মালিক মানুষ না, কিন্তু সেটার কথা বলে শিরক করছে। নির্বাচনের আগেই একটি দল মানুষকে ঠকাচ্ছে, এবার নির্বাচনের পর কেমন ঠকান ঠকাবে বুঝে নেন। তাদের কথায় বিভ্রান্ত হবেন না। সবশেষে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, বিএনপি বিজয়ী হলে আমরা নবী করিম (স.)-এর ন্যায়পরায়নতার ভিত্তিতে দেশ গড়ে তুলবো। সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বক্তৃতায় তিনি বলেন, আমাদের নেতা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে আমরা একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এ কাজে আমরা আপনাদের সহযোগিতা চাই। তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে একটি বিশেষ দলের ব্যাপারে। যারা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন। যারা স্বাধীনতার বিরোধী ছিল। তারা আমাদের নামে কুৎসা রটাচ্ছে। এমনকি আমাদের নেতা তারেক রহমান সম্পর্কেও কুৎসা রটাচ্ছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী। নগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার এমপি প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন
তারেক রহমান মঞ্চে আসার পর বক্তৃতা করেন দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সিলেট-৩ আসনের প্রার্থী এমএ মালিক, সিলেট-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিলেট-২ আসনের প্রার্থী বেগম তাহসিনা রুশদীর লুনা ও সিলেট-৪ আসনের প্রার্থী সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এর আগে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন ও মিফতাহ্ সিদ্দিকী, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট-৬ আসনের প্রার্থী এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়: সমাবেশের আগে গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলের বলরুমে তরুণদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামীর বাংলাদেশের ভাবনা জানতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সিলেটের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। ওই অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্ল্যান আছে চার কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার। প্রাথমিকভাবে দুই কোটি পরিবারের প্রধান নারীকে এই কার্ড দেয়া হবে।’ পরিবার প্রধান নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে। যার কাছে রিসোর্স থাকে, তার সম্মান থাকে। একটি পরিবারকে ওই নারীর কাছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মাসিক ক্যাশ পৌঁছে দেবো। আরেক দিকে অ্যাসেনশিয়াল ফুড আইটেম দেবো। প্রথমত: ফ্যামিলির হেলথের পেছনে; দ্বিতীয়ত এডুকেশন; থার্ড ছোট ছোট কাজে ইনভেস্ট করবে। লোকাল ইকোনোমিতে খরচ করবে। চিকিৎসাব্যবস্থা উন্নতকরণ বিষয়ে এক তরুণের প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাকালীন রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার সময় পল্লী চিকিৎসা ফিরিয়ে আনা হবে। পল্লী চিকিৎসকের আদলে হেলথ কেয়ারের প্রচলন করা হবে। ফ্যামিলি কার্ড কারা পাবে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, একজন কৃষকের ওয়াইফ যেমন পাবে, একজন ভ্যানচালকের ওয়াইফ পাবে, ইমাম সাহেবের ওয়াইফ পাবে। ইউএনও সাহেবের ওয়াইফ পাবে। তবে ইউএনও সাহেবের ওয়াইফ হয়তো নেবেন না। তবে সবার জন্য সুযোগ থাকবে। পরিবেশ ও প্রতিবেশ এবং বর্জ্য পরিকল্পনা বিষয়ে কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি ঢাকার চেয়ে সিলেটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ভালো বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘ঢাকার চেয়ে সিলেট পরিচ্ছন্ন দেখেছি। রাতে যেটুকু দেখলাম ভালো।’ মধ্যরাতে গেলেন শ্বশুরবাড়ি, চাইলেন ভোট: সিলেট সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। দুই ওলির মাজার জিয়ারতের পর জুবাইদা রহমান স্বামী তারেক রহমানকে নিয়ে নিজের বাড়িতে যান। আয়োজন করা হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়াসহ মরহুম স্বজনদের জন্য দোয়া মাহফিলের। মধ্যমণি ছিলেন তারেক রহমান। বাড়িতে যাওয়ার পর ডা. জুবাইদা রহমান তারেক রহমানকে মিষ্টিমুখ করে বরণ করে নেন। স্বজনদের সঙ্গে তারেক রহমান কথাও বলেন। গভীর রাতে তিনি সেই দোয়া মাহফিলে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যও রাখেন। বলেন, ডা. জুবাইদা যেমন আপনাদের সন্তান, আমিও আপনাদের সন্তান। আমার দাবি রয়ে গেল যাতে ১২ তারিখে এই এলাকা থেকে ধানের শীষ বিজয়ী হয়। আপনাদের কাছ থেকে এই জবান নিয়ে গেলাম। বুধবার রাতে সিলেটে হযরত শাহ্জালাল (রহ.) মাজার জিয়ারতের পর মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীর কবর জিয়ারত করেন তারেক রহমান।