NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়াই বুলগেরিয়া-চীন সম্পর্কের ভিত্তি


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ০৮ জুন, ২০২৬, ০২:১৫ এএম

বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়াই বুলগেরিয়া-চীন সম্পর্কের ভিত্তি

সম্প্রতি বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইলিটোভা চীন সফর করেছেন। এ সময় তিনি চায়না মিডিয়া গ্রুপকে (সিএমজি) দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বুলগেরিয়া-চীন সম্পর্ক নিয়ে তার মতামত তুলে ধরেন এবং সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

গত অক্টোবরে চীনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব নারী শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইলিটোভা বলেন, “সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বলেছিলেন, নারীর স্বার্থ নিশ্চিত করা এবং নারী বিষয়ক কার্যক্রমের উন্নয়ন বিশ্ব উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের সম্মেলনে গত ৩০ বছরে নারীদের উন্নয়নের সার্বিক পর্যালোচনা করা হয়েছে। আমাদের উচিত আগামী ৩০ বছরে আরও দ্রুত ও সক্রিয় কার্যক্রমের মাধ্যমে এই কাজকে এগিয়ে নেওয়া।”

সাক্ষাৎকারে ইলিটোভা বলেন, ২০২৫ সাল হলো বুলগেরিয়া ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭৬তম বার্ষিকী। ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ ও পরিবর্তন সত্ত্বেও, এই ৭৬ বছরে বুলগেরিয়া-চীন সম্পর্ক প্রমাণ করেছে যে, দুটি দেশ পারস্পরিক বোঝাপড়া ও অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। অর্থনীতি, অবকাঠামো, ব্যবসায়িক প্রকল্প এবং বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা ও সংস্কৃতির মতো ক্ষেত্রে দুই দেশের অনেক যৌথ উদ্যোগ রয়েছে। যদি বিষয়টিকে সংক্ষেপে বলতে হয়, তবে তা হলো—বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া; এর মাধ্যমে তারা সবকিছু অর্জন করতে পারে। দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা দেখে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি বুলগেরিয়ায় চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও বিনিয়োগ এবং ব্যবসা করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ইলিটোভা বলেন, বুলগেরিয়া এই উদ্যোগের একটি অংশগ্রহণকারী দেশ। বর্তমানে দুই দেশের উচিত এই সুযোগকে কাজে লাগানো, সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা এবং দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ বাড়ানো।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবুজ উন্নয়ন চীন ও ইউরোপের সহযোগিতার একটি ‘কি-ওয়ার্ড’ বা মূলমন্ত্র হয়ে উঠেছে। বুলগেরিয়া ইইউর সদস্য হিসেবে ‘ইউরোপিয়ান গ্রিন ডিল’ স্বাক্ষর করেছে। প্রেসিডেন্ট ইলিটোভা বলেন, “এই প্রজন্মের দায়িত্ব হলো পৃথিবীকে রক্ষা করা। বর্তমানে বিভিন্ন দেশ কঠোর জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। তাই বুলগেরিয়া বিভিন্ন সবুজ নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে, যেমন—সবুজ জ্বালানি, ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ইত্যাদি।”

সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।