NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

নিউইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন হলেন সৈয়দ সুমন


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

নিউইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন হলেন সৈয়দ সুমন

নিউইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন হলেন সৈয়দ সুমন  বিশ্বের অন্যতম সেরা নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি পেয়েছেন বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান সৈয়দ এম. সুমন। তিনি এনওয়াইপিডির বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। আগামী ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে লোয়ার ম্যানহাটনের ওয়ান পুলিশ প্লাজায় এক অনুষ্ঠানে তার হাতে পদোন্নতির সনদ তুলে দেওয়া হবে।  নিউইয়র্ক পুলিশের চাকরিতে যোগদানের প্রথম ধাপ হচ্ছে অফিসার পদ। পরীক্ষায় উন্নীত হয়ে সৈয়দ সুমন প্রথমে অফিসার এবং পরে সার্জেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সালে তিনি সার্জেন্ট থেকে লেফটেন্যান্ট হিসাবে পদোন্নতি পান। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্ক পুলিশের অত্যন্ত সম্মানজনক পদ ডিটেকটিভ স্কোয়াডের লেফলেট্যান্ট কমান্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।  অত্যন্ত সজ্জন ও মিষ্টভাষী হিসাবে পরিচিত সৈয়দ সুমন ১৯৯৯ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন। সেসময় মাত্র তিন থেকে চারজন বাংলাদেশি-আমেরিকান নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। কঠোর ত্যাগ এবং পরিশ্রমী অফিসার হিসেবে খুব অল্প দিনেই পুলিশ বিভাগে সুনাম অর্জন করেন তিনি। পেশার প্রতি কমিটমেন্ট, দক্ষতা ও সেবার অনন্য নজীর স্থাপন করেন বাংলাদেশি অফিসাররা। ফলে অতি অল্পদিনে পুরো পুলিশ বিভাগে বাংলাদেশি অফিসারদের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের এই পেশায় যোগ দেয়ার পথ অনেকটা সহজ হয়ে যায়।  বাপা'র নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সরোয়ার জনি  জানান, সৈয়দ সুমন সবসময় চাইতেন আরও বেশিসংখ্যক বাংলাদেশি পুলিশ বিভাগে যোগদান করুক। তাই কমিউনিটির জন্য কাজ করতে তিনিসহ কয়েকজন অফিসার মিলে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) প্রতিষ্ঠা করেন।

এছাড়া তিনি মুসলিম অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের করেসপন্ডিং সেক্রেটারি ।  সৈয়দ সুমন বলেন, আমার এ পদোন্নতি এ প্রজন্মের বাংলাদেশি আমেরিকানদের মধ্যে পুলিশ বিভাগে কাজ করার আগ্রহ সৃষ্টি করবে। আর তারা এগিয়ে এলেই নিউইয়র্ককে আমরা একটা নিরাপদ, পরিছন্ন, স্বাস্থকর সর্বোপরি সবদিক দিয়ে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর নগরী গড়ে তুলতে পারবো।  উল্লেখ্য, সৈয়দ সুমন সপরিবারে নিউইয়র্ক শহরের কুইন্সে বসবাস করছেন। তিনি ক্রিমিনাল জাস্টিস বিষয়ে লেখা-  পড়া করেছেন নিউইয়র্কের সিটি ইউনিভার্সিটির অধীন জন জে কলেজ থেকে।  উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক পুলিশের নির্বাহী পদ ক্যাপ্টেন। এই পদ থেকেই রাজনৈতিক বিবেচনায় পুলিশের শীর্ষপদে নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে সৈয়দ সুমনসহ নিউইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন পদে রয়েছেন চারজন বাংলাদেশি। এর আগে বাংলাদেশি খন্দকার আব্দুল্লাহ ক্যাপ্টেন থেকে ডেপুটি ইন্সপেক্টর ও পরে ইন্সপেক্টর হয়েছেন।এছাড়া আরেক বাংলাদেশি কারাম চৌধুরী পদোন্নতি পেয়ে ডেপুটি ইন্সপেক্টর হয়েছেন।  বাপার মিডিয়া লিয়াজোঁ ও সার্জেন্ট জসিম মিয়া জানান। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইন্সপেক্টর, ডেপুটি ইন্সপেক্টর ও ক্যাপ্টেন ছাড়াও প্রায় ২০ জন লেফটেন্যান্ট, ৯০ জন সার্জেন্ট, ১৫ জন ডিটেকটিভ এবং চার শতাধিক অফিসার রয়েছেন। এছাড়া সহস্রাধিক বাংলাদেশি ট্রাফিক এজেন্ট রয়েছেন। ট্রাফিক বিভাগের নির্বাহী পদ ম্যানেজার পদেও দায়িত্ব পালন করছেন বেশকয়েকজন বাংলাদেশি।  বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের  সদস্যর  নির্বাহী পদ ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতিতে বাংলাদেশী অ্যামেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন একেএম আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট সার্জেন্ট ডিটেকটিভ স্কোয়াড এরশাদুর সিদ্দিক, ২য় সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী এবং সেক্রেটারী ডিটেকটিভ জামিল সরোয়ার অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের এই অর্জন বাংলাদেশী অ্যামেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের প্রতিটি সদস্য উচ্ছ্বসিত বলে জানান তারা। তাদের সাফল্য পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।   এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাপা’র কমিউনিটি লিয়েজন সার্জেন্ট এমডি লতিফ, ৬২তম পুলিশ প্রিসিঙ্কটের কমান্ডিং অফিসার মোহাম্মদ ইসলাম,  বাপা’র সাবেক নেতৃবৃন্দ, বাপা’র সদস্য সহ বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ ।