NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

এশিয়ান প্যাসিফিক আইল্যানন্ডার কালচারাল ফেস্টিভ্যাল


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫০ পিএম

এশিয়ান প্যাসিফিক আইল্যানন্ডার কালচারাল ফেস্টিভ্যাল

আশরাফুল হাবিব মিহির

ফ্লোরিডার টেম্পা সিটির উদ্যোগে গত ২৮ মার্চ কার্টিস হিক্সন ওয়াটারফ্রন্ট পার্কে চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো বাৎসরিক “এশিয়ান প্যাসিফিক আইল্যান্ডার কালচারাল ফেস্টিভ্যাল”। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ৪০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে, যা বিভিন্ন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও বৈচিত্র্যের এক বর্ণিল মিলনমেলায় পরিণত হয়।   এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করে “ইন্টার কালচারাল পারফর্মিং আর্টস অ্যান্ড হেরিটেজ” (আই.পি.এ.এইচ)-এর শিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সমবেত শিল্পীরা সংগীত পরিচালক শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় তিনটি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন, যা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সঙ্গীতে অংশ গ্রহণ করেন, শফিকুল ইসলাম, তানজিন আখতার, অজেয় অর্ক, অনন্ত প্রত্যয়, নাসির উদ্দিন, নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এবং অদিতি দত্ত। নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন নিশাত লায়লা লাবিবা এবং সাবরিনা হাসান। বাংলাদেশের পক্ষে সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন অরিজিৎ ঘোস এবং তত্ত্বাবধানে ছিলেন ইসরাত জাহান মিতা।  অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে দিনব্যাপী দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রাখেন। এই বিশাল আয়োজনে প্রায় ৯০টির মতো বিভিন্ন ধরনের স্টল মেলার সামগ্রিক আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ ও আকর্ষণীয় করে তোলে।      উৎসবে আগত দর্শনার্থীরা বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং উপভোগ করেন নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। আয়োজকরা জানান, বহুসাংস্কৃতিক এই উৎসব পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।