NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২৬ | ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণের জন্মদিন পালিত বগুড়ায় নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সম্মাননা পেলেন দুই কৃতি অ্যালামনাই Uncovering the Cover of Researcher Ahmed H. Khan's Remarkable Book 'Pursuit of Divine Insight' গবেষক আহমেদ এইচ. খানের ব্যতিক্রমী গ্রন্থ ‘পারস্যুট অব ডিভাইন ইনসাইট’র মোড়ক উন্মোচন অবসান হলো বাংলাদেশের পুতুলনাট্য ও টেলিভিশন শিল্পের এক সোনালী অধ্যায়ের আলোর দিশারী- মুস্তাফা মনোয়ার দুটি ইতিহাসের মিলন: ২৫০ বছরের আমেরিকা, বাংলার উত্তরাধিকার এবং ভবিষ্যতের সংলাপ-আকবর হায়দার কিরন আড়াইশো বছরের বৃদ্ধ ঈগল - মোস্তফা সারওয়ার
Logo
logo

বেইজিংয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ১২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ পিএম

বেইজিংয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্ক আরও গভীর করার অঙ্গীকার

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে সফররত উত্তর কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী পার্ক থাই-সং ১০ জুলাই, (শুক্রবার) বিকেলে সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাতে সি চিন পিং বলেন, "গত মাসে আমি উত্তর কোরিয়া সফর করেছি এবং সাধারণ সম্পাদক কিম জং উনের সাথে দেশ দুটির ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব সুসংহত ও উন্নত করার পাশাপাশি নতুন যুগে এর বিষয়বস্তু সমৃদ্ধ করে তোলার জন্য কৌশলগত নির্দেশনা দিয়েছি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বন্ধুত্ব, অভিন্ন লক্ষ্যের কমিউনিটি এবং পারস্পরিক সহায়তা সবসময়ই চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের স্পষ্ট বৈশিষ্ট্য।" তিনি আরও বলেন, "'চীন-উত্তর কোরিয়া বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি' দুই দেশের জনগণের রক্ত দিয়ে সৃষ্ট যুদ্ধকালীন বন্ধুত্বকে সুসংহত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনগত ভিত্তি স্থাপন করেছে। আমি সাধারণ সম্পাদক কিম জং উনের সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরের ৬৫তম বার্ষিকীকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী মৈত্রী পালন করতে এবং নতুন ঐতিহাসিক সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে প্রাণবন্ত করে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছি।"

সি চিন পিং আরও বলেন, "বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল এবং জটিল। চীন ও উত্তর কোরিয়ার উচিত কৌশলগত আত্মবিশ্বাস জোরদার করে সাধারণ সম্পাদক কিম জং উনের সাথে উপনীত হওয়া ঐকমত্যের বাস্তবায়ন দ্রুততর করা, যাতে দুই দেশ ও দুই পার্টির সম্পর্ক সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। এর মাধ্যমে নিজ নিজ সমাজতান্ত্রিক খাত সুসংহত করা এবং নিজ নিজ দেশের আধুনিকীকরণের দিকে উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্থিতিশীলভাবে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া, জনগণের মৈত্রীর ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং অভিন্ন স্মৃতির মাধ্যমে দুই দেশের তরুণ-তরুণীদের 'চীনা জনগণের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর' ঐতিহাসিক কৃতিত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিত। তা ছাড়া, কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করা, নিজ নিজ সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থ সুরক্ষা করা এবং জাতীয় পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক পথে চলার জন্য একটি অনুকূল বহিরাগত পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিত।

প্রধানমন্ত্রী পার্ক থাই-সং প্রথমেই সি চিন পিংকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের আন্তরিক শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, সিপিসি-এর প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী এবং সি চিন পিংয়ের নেতৃত্বে চীনা জনগণের অর্জিত মহান সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানায় তাঁর দেশ। উত্তর কোরিয়া দুই রাষ্ট্রপ্রধানের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য বাস্তবায়ন করতে, তাইওয়ানসহ বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের কেন্দ্রীয় স্বার্থ রক্ষা করতে এবং উত্তর কোরিয়া ও চীনের ঐক্য, মৈত্রী ও সমাজতান্ত্রিক খাতের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে যথাসাধ্য প্রচেষ্টা চালাবে।

সূত্র; লিলি-তৌহিদ-স্বর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।