NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

পাকিস্তান ও চীন হলো কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের সম্পর্ক


ছাই উইয়ে মুক্তা,বেইজিং প্রকাশিত:  ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম

পাকিস্তান ও চীন হলো কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের সম্পর্ক

‘চীন ও পাকিস্তান হলো পরস্পরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, অংশীদার ও ভাই।’ চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ২ নভেম্বর বেইজিংয়ে সফররত পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা বলেন। 

সি চিন পিং বলেন, চীন পাকিস্তানের সঙ্গে সার্বিক কৌশলগত সহযোগিতার মান উন্নত করতে, নতুন যুগে আরও ঘনিষ্ঠ দু’দেশের অভিন্ন ভাগ্যেরকমিউনিটি গড়ে তুলতে, এবং সার্বক্ষণিক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের সম্পর্কে নতুন চালিকাশক্তি যুক্ত করতে ইচ্ছুক। শাহবাজ বলেন, দু’দেশের সার্বক্ষণিক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্বের সম্পর্ক জোরদার করা হলো পাকিস্তানের কূটনীতির ভিত্তি। 

এবারের সফরে সি চিন পিং পাকিস্তানকে দুর্যোগের পর পুনরুদ্ধারের জন্য অতিরিক্ত জরুরি সহায়তা দেয়ার কথা ঘোষণা করেন। শাহবাজ বলেন, কোনো দেশ চীনের মতো আন্তরিকতার সঙ্গে পাকিস্তান ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশকে সাহায্য করতে পারে না। 
বর্তমানে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে বিনিয়োগের মোট পরিমাণ ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এটি পাকিস্তানের জন্য ১.৫ লাখকর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। পাকিস্তানের দক্ষিণ এশিয়া ও আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক মেহমুদ উল হাসান খানসম্প্রতি বলেছেন, অবকাঠানো খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে পাকিস্তানের জিডিপি উল্লেখ্যযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে ১১ লাখ পাক বাসিন্দাকে চরম দারিদ্র্য থেকে মুক্তির লক্ষ্য অর্জনের জন্য সহায়ক।

বুধবার দু’দেশের প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দু’দেশ উচ্চমানে ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ নির্মাণ, বাণিজ্যিক বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ উন্নয়ন করবে। এছাড়া, দু’দেশ ই-কমার্স, ডিজিটাল অর্থনীতি, চীনে কৃষিপণ্য রপ্তানি, আর্থিক সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক অবশেষ সুরক্ষা, এবংঅবকাঠামো সহযোগিতা খাতে একাধিক স্মারকলিপিও স্বাক্ষর করেছে।সূত্র:সিএমজি।