NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo

নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৮ এএম

নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

 

 



 

নিউইয়র্ক, ১০ জানুয়ারি ২০২৩:আজ নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ২০২৩। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যগণের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ পাঠ করে শোনান।  

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে মিশনের কর্মকর্তারা দিবসটির গুরুত্ব ও তাrপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। সভাপতির বক্তব্যে মিশনের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের স্বাধীনতার চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছি। আর ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করেছে। সমগ্র জাতি সেদিন উল্লাসে রাস্তায় নেমে এসেছিল এবং আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে পড়েছিল।তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গভীর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রজ্ঞায় পরিপূর্ণ ছিল। লন্ডনে তাঁর যাত্রাবিরতি কমনওয়েলথে বাংলাদেশের সদস্যপদ অর্জন এবং পশ্চিমা বিশ্ব থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি আদায়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। দিবসটির তাrপর্য নিয়ে সকলকে আরো গভীরভাবে জ্ঞানচর্চার অনুরোধ করেন রাষ্ট্রদূত।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একটি দেশবিরোধী চক্র বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশের উন্নয়নের পথ রোধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শকে ধ্বংস করতে পারেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে আজ উন্নয়নের একটি রোল মডেল। তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সুখী-সমৃদ্ধ-উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। উপস্থিত সবাইকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে আরো শক্তিশালী করার নিমিত্ত নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশ গঠনের কাজে নিয়োজিত হবার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্য শেষ করেন।