আমি খুব মর্মাহত। গতকাল (বৃহস্পতিবার) আমি কেঁদেছি। মৃত্যুর খবরে আমার কান্না থামাতে পারছিলাম না। বাচ্চাগুলোর একটার পর একটা মৃত্যুর খবর আসছিল, আমার কান্না কিছুতেই আটকে রাখতে পারিনি। আমি অসুস্থ, এখন বেশির ভাগ সময় বাসায় থাকি, কোথাও বের হই না—আমি তো ভাবতেই পারি না, ছোট ছোট বাচ্চার সঙ্গে এমনটা হতে পারে! আমাদের পুলিশ বাহিনী তাদের সামনে দাঁড়ানো কাউকে এভাবে মারবে, এটা কল্পনারও অতীত। অনেক কিছু মনে আসে, লিখিও না, বলিও না—চুপচাপ থাকি; কিন্তু আমাদের সহ্যেরও তো একটা সীমা আছে। মনেরও তো কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা থাকে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) কি যে কান্না কেঁদেছি, আমার মেয়েরা আমাকে ফোন করে কত সান্ত্বনা দিয়েছে। বলেছে, কেঁদে কী লাভ, কেঁদে কিই–বা করবে; কিন্তু তারপরও আমি কেঁদেছি। না কেঁদে থাকতে পারিনি।
আমাদের বিল্ডিংয়ের একটা ফ্ল্যাটের একটা ছেলে মারা গেছে, ফারহান ফাইয়াজ। ওর মা–বাবা এবং আমরা একই বিল্ডিংয়ে থাকি। পুরো পরিস্থিতি নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। সরকার অনেক দেরি করে ফেলেছে। যেটা এক দিনে সমাধান সম্ভব ছিল, সেটা তারা অনেক সময় নিয়ে করল—কষ্টটা এখানেই লাগে।
সেই একই সমাধানে তো এল তারা, যেটা বলেছিল সম্ভব না, সেটাই তো তারা এক দিনের ব্যবধানে করল! সুতরাং এটা সেদিনই সম্ভব ছিল, প্রথম দিন না হলে দ্বিতীয় দিনে সম্ভব হতো। এ জন্যই বলি, সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। অনেক কষ্ট পেয়েছি। আমি আসলে এই কষ্ট প্রকাশ করতে পারব না। আমার চোখ এখনো ছলছল করছে। আমি এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি। (সূত্র: প্রথম আলো
এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারিনি: আবুল হায়াত
প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৬, ০৩:৪৪ এএম
সারাবাংলা রিলেটেড নিউজ
বগুড়া জেলার,আদমদীঘিতে অশ্রুভেজা চোখে ইউএনওকে বিদায়
জয়পুরহাটে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধা
বগুড়ার কাহালু বেতার কেন্দ্র পরিদর্শণ করলেন মহাপরিচালক এ এস এম জাহিদ
বগুড়ায় দুদিনব্যাপী জামাই মেলা: বড় মাছ কেনার লড়াইয়ে জামাই-শ্বশুর!
বগুড়ায় ৩দিনব্যাপি ভূমি মেলার উদ্বোধন
গবেষণা ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হলেন কুবি শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল মাজেদ পাটোয়ারী
রংপুরে দুই সাংবাদিক পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ
পথের ধারে সাদা স্পাইডার লিলির দেখা
