মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী, ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। জিয়াউর রহমান সরকারের আমলে তিনি ভূমিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। শনিবার সন্ধ্যায় মাদারীপুর লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। প্রকাশিত বইটির নাম ‘আব্দুল মান্নান শিকদার: সমাজ, রাজনীতি ও মানবতার দৃষ্টান্ত’। বইটির লেখক সায়েমা জেরিন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আব্দুল মান্নান শিকদার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য কাজী হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাব হোসেন হাওলাদার, মাদারীপুর সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি খান মোহাম্মদ শহীদ, সমাজসেবক ও চিকিৎসক ডা. গোলাম সারোয়ার, ডা. লুৎফর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
আলোচনা পর্বে বক্তারা আব্দুল মান্নান শিকদারের রাজনৈতিক জীবন, ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের নানা দিক তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, আব্দুল মান্নান শিকদার ছিলেন একজন সৎ, আদর্শবান ও জনদরদি রাজনীতিবিদ। তার সততা, নীতিনিষ্ঠতা ও মানবিক মূল্যবোধ আজকের প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
সবার প্রতি হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানালেন ড সায়েমা জেরিন
এই বইটি প্রকাশের পেছনে যাঁরা নীরবে ও নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এটাই উপযুক্ত সময়। আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই মোস্তাফিজ কারিগর, কাজী আদনান কবির, শব্দ প্রকাশনী এবং এডিএস প্রিন্টিং–এর নিবেদিতপ্রাণ টিমকে। প্রকাশনা প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে তাঁদের নিষ্ঠা ও আন্তরিক পরিশ্রম সত্যিই প্রশংসনীয়।
বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ আমার পরিবারের সদস্যদের প্রতি—বিশেষ করে আমার কনিষ্ঠ ভাই মাহমুদ উন নবী (জেনাস)–এর প্রতি। ও অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে আব্বুর বহু আলোকচিত্র এবং আব্বুর শেষ দিনগুলোর সময় আম্মির লেখা শেষ নোটগুলো সংরক্ষণ করে রেখেছিল ।এই প্রকল্পটি হাতে নেওয়ার জন্য ও সবসময় আমাকে উৎসাহ ও সমর্থন দিয়ে গেছে।
আমার হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ আমার মামাতো ভাই হাসান খন্দকার নূর (রনি)–কে। ও প্রাণান্তকর চেষ্টা ও আন্তরিকতা দিয়ে আমাকে অত্যন্ত মূল্যবান কিছু সংবাদপত্রের কাটিং সংগ্রহ করে দিয়েছে। এসব কাটিং আমার প্রয়াত মামা খন্দকার নূরিন নবী সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন, যা রনির অবস্থান থেকে প্রায় আট হাজার মাইল দূরে একটি স্টোররুমে শত জিনিসপত্রের সঙ্গে সংরক্ষিত ছিল। এত দূরত্ব ও জটিলতার পরও ও তত্ত্বাবধায়ককে অত্যন্ত সতর্ক ও বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়ে সেগুলো সংগ্রহ করে আমার কাছে পাঠাতে সক্ষম হয়। রনি, তোমার এই অসাধারণ প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতার জন্য আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।
এছাড়াও স্বল্প সময়ের নোটিশে আমার দাদার প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ আলোকচিত্র সরবরাহ করার জন্য আমার চাচাতো ভাই আসাদুজ্জামান রোমেল–কে আন্তরিক ধন্যবাদ।
আপনাদের সবার প্রতি হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।Jenus JenusHasan Khandker NoorePritom AdnanAsaduzzaman Romel
